চেন্নাই: ব্যাংকিং ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের অভ্যুত্থান। কেরল ভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক ধনলক্ষী ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারদের বিরোধিতার ফলে সরে যেতে হল ব্যাংক কর্তাকে। ভোটের মাধ্যমে শেয়ার হোল্ডাররা সরিয়ে দিল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও সুনীল গুরবক্সানিকে।

বুধবার ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় অর্ডিনারি রেজোলিউশনে সুনীল গুরবক্সানির নিয়োগ নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেখানে সেই নিয়োগের বিরুদ্ধে ভোট পড়ে ৯০.৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ এই ব্যাংক কর্তার নিয়োগের পক্ষে ভোট পড়ে মাত্র ৯.৫১ শতাংশ।

তবে এদিন বার্ষিক সাধারণ সভায় দশটি প্রস্তাব থাকলেও তারমধ্যে ৯টি প্রস্তাব শেয়ার হোল্ডাররা পাস করিয়ে দেয়। শুধুমাত্র ব্যাংক কর্তার নিয়োগের প্রস্তাবটিই শেয়ারহোল্ডারদের বিরোধিতায় আটকে যায়।

শেয়ার হোল্ডাররা খুশি ছিল না এই ম্যানেজিং ডিরেক্টরের উপর। শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কা করছিল উত্তর ভারতের এই ব্যক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকটি তার কেরলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলতে পারেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সুনীল গুরবক্সানি এই ব্যাংকের দায়িত্ব নেন। দীর্ঘ ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই ব্যক্তি কাজ করেছেন স্টেট ব্যাংক অফ বিকানের অ্যান্ড জয়পুর এবং অ্যাক্সিস ব্যাংকে।

কোন ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডাররা তাদের শীর্ষ পদাধিকারীকে এভাবে সরিয়ে দিচ্ছে তা বিরল ঘটনা। তবে সম্প্রতি ব্যাংক কর্মীদের ইউনিয়ন এআইবিইএ এই ব্যাংকের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার জন্য রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে আবেদন জানিয়েছিল।

এই নিয়ে সম্প্রতি এমন ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটল যেখানে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডাররা ভোট করে ম্যানেজিং ডিরেক্টরে এবং সিইওর নিয়োগের বিরোধিতা করে তাকে সরিয়ে দেওয়া হল। এর আগে লক্ষীবিলাস ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডাররা ভোটের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভায় ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সহ সাত জন ডিরেক্টরকে সরিয়ে দিয়েছিল।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।