কলকাতা: ৮৯ বছর বয়সে জীবনাবসান হয়েছে কৃষ্ণা বসুর। তাঁর প্রয়াণে শোকাহত রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগত। ইএম বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে শনিবার সকালে ১০ টা ২০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তারপর নেতাজি ভবনে উপস্থিত আনা হয় তাঁর দেহ। সেখানে শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়, সঙ্গে রয়েছেন বিজেপি সাংসদ তপন দাশগুপ্ত।

পাশাপাশি, সেখানে রয়েছেন আরও অনেকে। আরও কিছুক্ষণ শায়িত রাখা হবে তাঁর দেহ। একে একে অনেকেই তাঁদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ আসছেন।

দুপুরে কৃষ্ণা বসুর দেহ আনা হয় তাঁর এলগিন রোডের বাড়িতে। বিকেল তিনটে থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তাঁর দেহ অন্তিম শ্রদ্ধার জন্য সেখানেই শায়িত থাকবে। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে হবে শেষকৃত্য।

আকস্মিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বেলা ২টো ১৫ নাগাদ তিনি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “একজন ভালবাসার, শ্রদ্ধেয় বিশেষ মানুষকে আজ হারালাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ডঃ শিশির বসুর স্ত্রী এবং প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুর খবর শুনে চমকে গিয়েছি, তাঁর প্রয়াণে আমি শোকাহত। তিনি নেতাজীর পরিবাররের অংশ হয়েও তিনি একজন একনিষ্ঠ সমাজ সংস্কারক, পাশাপাশি একজন বিখ্যাত কবি এবং সাহসী শিক্ষাবিদ ছিলেন।

ট্যুইটের দ্বিতীয় অংশে তিনি লিখেছেন, “কৃষ্ণা দি দুই ছেলে সুগত বসু ও সুমন্ত বসু এবং মেয়ে শর্মিলার পাশাপাশি গোটা তৃণমূল পরিবারের কাছে মায়ের মতন ছিলেন। ভারতীয় সমাজে এবং বাংলার সংস্কৃতিতে তাঁর বিশাল অবদান স্বরনীয় থাকবে”।