স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়করা এখন তাঁকে নিয়ম করে আক্রমণ করছেন। কিন্তু কোনও ‘অপমান’ই যে তাঁর গায়ে লাগে না, সেটা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। রবিবার ফের টুইট করলেন তিনি। ধাঁধায় ভরা সেই টুইটে তিনি লিখেছেন,” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তাঁদের ত্রিমূর্তি- ‘_b/a_/_k’ যতই কৌশল করুক, আমাকে আটকাতে পারবে না। আমি অবিচলই থাকব।”

কোন তিনজনকে রাজ্যপাল নিশানা করেছেন সেটাই কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ধাঁধার সমাধান তিনি রাজ্যের মানুষকেই করতে বলেছেন। ধাঁধার সমাধান করার চেষ্টাও করছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, ডেরেক ও ব্রায়ান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারকেই রাজ্যপালের বার্তা দিয়েছেন।

তৃণমূলের সাংসদদের একাংশ রাজ্যপালকে তুলধোনা করছেন। তাঁদের মধ্যে এই তিন সাংসদও রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, রাজ্যপালের যদি রাজনীতিই করতে হয়, তাঁর যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার বাসনা থাকে, তা হলে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির পার্টি অফিসে গিয়ে বসুন। তার পর ভোটে লড়ুন।

শুধু তাই নয়, গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে পত্রাঘাতে বলেছেন, ভুলেও দ্বৈতশাসনের স্বপ্ন দেখবেন না। প্রশাসনিক অধিকার রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীরই। রাজ্যপালের যে কোনও অধিকার বা ক্ষমতা নেই তা সরকারিয়া কমিশন, সংবিধান সভার বিতর্ক, সুপ্রিম কোর্টের বিবিধ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন। কিন্তু রবিবার টুইটারে রাজ্যপাল বুঝিয়ে দিয়েছেন, শাসক দলের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তিনি অপ্রতিরোধ্য। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে রাজ্যপাল লিখেছেন, “কাউকে বলির পাঁঠার করার সময় এটা নয়। মানুষের দুর্দশা দূর করতে কাজ করুন।”

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প