কলকাতাঃ  অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। আর সেই মন্দির তৈরির জন্যে প্রয়োজন অর্থের। আর সেই বিপুল অংকের অর্থ সংগ্রহ করতে ময়দানে নেমে পড়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। বাংলাতেও এই অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এবার মন্দির নির্মানের জন্যে ৫ লক্ষ ১ টাকা দান করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

আজ বৃহস্পতিবার রাজভবন থেকে চেক সংগ্রহ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রামমন্দির নির্মাণ কমিটির সদস্যরা। তাঁরা জানিয়েছেন, দানসংগ্রহের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও সময় চাওয়া হয়েছে। তাঁর কাছে যাওয়া হবে।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রামমন্দির নির্মাণ কমিটি সাধারণ সম্পাদক অলোক কুমার এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য এই রাজ্যে ১ কোটি লোকের থেকে টাকা তুলব।’’

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রামমন্দির নির্মাণ কমিটির দাবি,তারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করতে চেয়েছেন।

তবে, এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে সদর্থক কিছু জানানো হয়নি। গত বছরের ৫ অগাস্ট, সরযূ পাড়ে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে এখন মন্দির তৈরির কাজ। ইতিমধ্যে অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার লক্ষে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সহ অনেকেই অনুদান দিয়েছেন। সেই তালিকায় ইতিমধ্যে শামিল হয়েছেন বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর।

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ বলেন যে এই অনুদানটি তাঁর এবং তাঁর পরিবার তরফে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে রাম মন্দির তৈরির কাজ শেষ হয় যাবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। কোটি-কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরিজি মহারাজ জানিয়েছেন, রাম মন্দির তৈরি করতে ১১০০ কোটি টাকার কম খরচ হবে না। এখন যে গতিতে কাজ চলছে তাতে মন্দিরটি পুরোপুরি তৈরি হতে এখনও সাড়ে তিন বছরের কাছাকাছি সময় লাগবে।

রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪ লক্ষ গ্রামে ঘুরে-ঘুরে অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়াও সাধারণ মানুষ মন্দিরর তৈরির জন্য নিজেরা এসেও অনুদান দিতে পারবেন। শ্রী রাম মন্দির নিধি সমর্পণ প্রচার অভিযান শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই অভিযান চলবে ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই কাজে সাহায্য করবেন রাম মন্দিরের কার্যকর্তারা। সাহায্য করবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মী সমর্থকরা।

রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে আরও জানানো হয়েছে, মকর সংক্রান্তি (১৫ জানুয়ারি, ২০২১) থেকে মাঘ পূর্ণিমা (২৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত অভিযান চলবে। সারা দেশের রাম ভক্তদের থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তিল তিল করে তৈরি করা হবে রাম মন্দির।

তবে রাম মন্দির তহবিলের জন্য যে টাকা উঠবে, তা অনুদান বলতে নারাজ ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি এটা ভগবানের টাকা, তাঁর নামেই আসছে। কুপন তৈরি করা হয়েছে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে। ১০ টাকা, ১০০ টাকা ও ১০০০ টাকার কুপন রয়েছে। ১০০ টাকার কুপন ছাপানো হয়েছে ৮ কোটি। ১০ টাকার কুপন ছাপানো হয়েছে ৪ কোটি, ও ১০০০ টাকার কুপন ছাপানো হয়েছে ১২ লক্ষ বলে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।