স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আনফানের ধাক্কা সামলাতে সেনার সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার। নবান্নের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি বলেছেন, এটা সংকটের সময়। মানুষকে শান্ত থাকতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ ও টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে হবে কর্তৃপক্ষকে।

টুইটারে রাজ্যপাল লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেনাবাহিনীর সমর্থন ও সহায়তা চাইছেন, এটি একটি ভাল পদক্ষেপ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চেষ্টা চলছে এবং মানুষকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকার জন্য আবেদন করছি। কর্তৃপক্ষকে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য পরিষেবা দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে হবে।”

তবে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করলেও রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “সরকার মানুষের দুর্ভোগ নিয়েও রাজনীতি করছে। প্রথম দিন থেকে সেনাবাহিনীর সাহায্য নিলে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো যেতে পারত।”

ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে তছনছ হয়ে গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা। বহু জায়গাতেই বেহাল হয়ে পড়েছে রাস্তা, বিদ্যুৎ, জল, নিকাশির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। এখনও অনেক জায়গাতেই পরিষেবাগুলি সচল করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে এ বার কেন্দ্রের কাছে সেনা সাহায্য চেয়েছে রাজ্য। সেনার পাশাপাশি রেল ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও সাহায্য চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যের এই টুইটের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক মুখপাত্রও টুইট করে জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি জেলায় উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য এনডিআরএফের আরও ১০টি দল পাঠানো হবে। সব মিলিয়ে এনডিআরএফের ৩৬টি দল এ রাজ্যে কাজ করবে। শনিবার কাকদ্বীপে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন কেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সময় লাগছে।

তিনি জানান, কাজ করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। তাই পরিষেবা স্বাভাবিক করতে সময় লাগছে। সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তাঁর নিজের বাড়িতেই বিদ্যুৎ নেই। ফোন কাজ করছে না। কোনও রকমে কাজ চালাচ্ছেন। সবাইকে এই পরিস্থিতিতে একটু ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I