কলকাতাঃ  ফের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে রাজ্যপাল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে পুজোর শুভেচ্ছা জানাতে সস্ত্রীক পাম অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছন তিনি। সস্ত্রীক জগদীপ ধনকড়কে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই দরজার বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। গাড়ি থেকে নেমে প্রথমেই তাঁকে নমস্কার জানান।

এরপর ঘরে ঢুকে যান তিনি। প্রায় ঘন্টাখানেক বুদ্ধদেববাবু এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান ধনকড়। সেখান থেকে বাইরে বেরিয়ে রাজ্যপাল জানান, সবাইকে দেবী দুর্গা ভাল রাখুক। সমস্ত অন্ধকার কেটে যাক। করোনার মতো মহামারী কেটে যাক।

বুদ্ধদেববাবু প্রসঙ্গে রাজ্যপাল ধনকড় বলেন, বুদ্ধবাবুর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যের থেকে তিনি প্রায়ই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। রাজ্যপাল এদিন আরও বলেন, রাজ্যের আইন ও অন্য পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে। তিনি বলেন, বুদ্ধবাবুর অভিজ্ঞতা প্রচুর। তাই তাঁর সঙ্গে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলা সঙ্গত বলে মনে করেছেন তিনি।

এরপরেই রাজ্যপাল বলেন, বুদ্ধবাবু এই রাজ্যের লিভিং স্টেটসম্যান। এরপরেই দ্রুত বুদ্ধবাবুর আরোগ্য কামনা করেন রাজ্যপাল। জানা গিয়েছে, আগের থেকে অনেকটাই ভালো রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

অন্যদিকে, এদিন বুদ্ধবাবুর বাড়ি যাওয়ার আগে বেলুড় মঠ যান সস্ত্রীক রাজ্যপাল ধনকড়।

বেলুড় মঠ ছেড়ে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের রাজ্যপাল জানান, দেবীর কাছে রাজ্যবাসীর ভালো চেয়ে প্রার্থনা করেছি। এর পাশাপাশি তিনি জানান, মন্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ে রাজ্যের উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক। পুজোগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি।

অথচ ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পদক্ষেপ হয়ে রইল। এছাড়াও রাজ্যপাল রাজ্যবাসীর কাছে আর্জি জানান, কোভিড থেকে বাঁচতে সমস্ত নিয়ম-নীতি মেনে চলুন। করোনা মানুষের জীবনে একটি অধ্যায়। ভ্যাকসিন হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যেই মিলবে। ততদিন পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.