হাওড়াঃ  রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হার বেশি। এমতাবস্থায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের উচ্চ আদালত পূজামণ্ডপগুলোতে প্রবেশে যে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে তাকে স্বাগত জানালেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। শনিবার মহাঅষ্টমীর বিকেলে বেলুড় মঠে প্রতিমা দর্শনে আসেন তিনি।

প্রতিমা দর্শন এর পাশাপাশি বেলুড় মঠে কিছুটা সময় কাটানোর পর ফের রাজভবন উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যদিও রাজভবনের দিকে রওনা হলেও মাঝপথে ঘুরে যায় রাজ্যপালের গাড়ি।

বেলুড় মঠ থেকে সোজা চলে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কাছে। তাঁর পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়ি যান। সেখানে বেশ কিছুটা সময় কাটান রাজ্যপাল ধনকড়। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রীও।

তবে এদিন বেলুড় মঠ ছেড়ে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের রাজ্যপাল জানান, দেবীর কাছে রাজ্যবাসীর ভালো চেয়ে প্রার্থনা করেছি। এর পাশাপাশি তিনি জানান, মন্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ে রাজ্যের উচ্চ আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিক। পুজোগুলির কোনও ক্ষতি হয়নি।

অথচ ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পদক্ষেপ হয়ে রইল। এছাড়াও রাজ্যপাল রাজ্যবাসীর কাছে আর্জি জানান, কোভিড থেকে বাঁচতে সমস্ত নিয়ম-নীতি মেনে চলুন। করোনা মানুষের জীবনে একটি অধ্যায়। ভ্যাকসিন হয়তো আর কিছুদিনের মধ্যেই মিলবে। ততদিন পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.