ঢাকা: প্রকাশ্যে ছাত্রী নীলা রায়কে ছুরি মেরে খুনের ঘটনায় এখনো মূল হামলাকারী মিজান অধরা। ঘটনার তিনদিন কেটে গেলেও মৃত ছাত্রীর পরিবারে আসছে হুমকি ফোন। তদন্তে নেমেছে পুলিশ ও সিআইডি।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতালে যাওয়ার সময় ঢাকার সাভারে আক্রান্ত হয় নীলা। স্থানীয় এ্যাসেড স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী নীলাকে তুলে নিয়ে ছুরি মেরে খুন করে মিজান।

প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান থেকে সূত্র নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এদিকে অভিযুক্ত মিজান ও তার পরিবারের সবাই নিরুদ্দেশ। তবে খুনের তিনদিন পরেও মিজান অধরা থাকায় মৃত ছাত্রীর পরিবার আতঙ্কিত।

নীলার বাবা নয়ন রায়ের অভিযোগ, অনবরত হুমকি ফোন আসছে। বুধবার পুলিশ আটক করে হামলাকারী মিজানের সাগরেদ সেলিম পালোয়ানকে। নীলা কে খুনের সময় সেলিম ঘটনাস্থলের কাছেই ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অধরা মিজানের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। সাভারে যেখানে খুন করা হয় নীলা রায় কে। সেখানে গিয়ে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে সিআইডি। সন্দেহ করা হচ্ছে, নীলাকে খুনের আগে ধর্ষণ করে মিজান। এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে ভিসেরা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, মাদকসেবী মিজানের প্রেমের প্রস্তাবে সায় দেয়নি নীলা রায়। এই আক্রোষে মিজান খুন করেছে।

মিজান ঢাকার কুখ্যাত একটি কিশোর গ্যাং (কৈশোরপ্রাপ্ত দুষ্কৃতিদের বিভিন্ন গোষ্ঠী) পরিচালনা করে। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেছেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই তারা ধরা পড়বে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।