ঢাকা: বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে ঢাকা জুড়ে৷ ঢাকা মহানগর পুলিশ বা ডিএমপি ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে বসিয়েছে চেকপোস্ট। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজধানী সহ সারা দেশেই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে শহর জুড়ে কোথাও কোনও খোলা জায়গায় বা হোটেল, রেস্তোরাঁতে পার্টি করা যাবে না৷ ডিএমপি-র কমিশনার আসাদুজ্জামান খানের পরামর্শ বাড়িতে বসে বর্ষবরণ পালন করুন, বাইরে নয়৷ শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা পরিষ্কার জানিয়ে দেন কমিশনার৷

প্রচুর জলসমাগম হয় এমন এলাকা বা যেসব এলাকায় বিদেশি পর্যটকরা ভীড় করেন তেমন এলাকায় কড়া নজরদারি রেখেছে পুলিশ৷ কোনও ধরণের উৎসবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে৷ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন খোলা কোনও স্থানে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। অনুমতি সাপেক্ষে ক্লাব, হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠান করা যাবে। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা শহরের বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, বার, রুফটপে অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ ও লাইসেন্সকৃত অস্ত্র বহনের ওপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে৷

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, বনানী ও বারিধারায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ নজরদারি। এমনিতেই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর নিরাপত্তার ওপর বিশেষ নজর দেয় প্রশাসন৷ তবে বর্ষশেষের রাত ঘিরে আরও বেশি তত্পর পুলিশ বলে জানিয়েছেন পুলিশ প্রধান।

টহলদারি পুলিশ, চেকপোস্ট, সিসিটিভি, আর্চওয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে শহর জুড়ে। বিভিন্ন এলাকার আশপাশে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। অন্যকে বিরক্ত করে আতশবাজির ব্যবহার হলে,কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ৷

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে শুধু পুলিশ নয়, নিরাপত্তা জোরদার করতে পথে নামবে তারাও৷ কয়েক স্তরের নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হবে। শহরের রাজপথে থাকবে ১০ হাজার পুলিশ কর্মী৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধে ৬টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা শুধু আইডি কার্ড দেখিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন।