ঢাকাঃ  করোনাভাইরাসের কারণে চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের। তবে চলতি মাসেই ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ ফের শুরু হতে চলেছে। এমনটাই বাংলাদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিদেশ সচিব মাসুদ বিন মোমেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

এরপর সাংবাদিকদের তিনি জানান, এয়ার বাবল নামের বিশেষায়িত কর্মসূচির মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিমান যোগে যাত্রী পরিবহন নিয়মিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ভারতের নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে আমাদের কিছু অনুরোধে ভারত ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এদের মধ্যে এয়ার বাবল চালুর বিষয়টি ছিল। এ বিষয়ে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। এখন বেবিচকসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষএকে চূড়ান্ত করবে।’

যাত্রী পরিবহনের বিষয়ে বাংলাদেশের বিদেশ সচিব বলেন, চিকিৎসার্থে ভারতে এখন একজন রোগীর সঙ্গে একজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারছেন। অ্যাটেনডেন্টের সংখ্যা দুজন করতে আমারা অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তারা এতে রাজি হয়েছেন। হয়ত চলতি মাস থেকেই একজন রোগীর সঙ্গে দুজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারবেন ।

বৈঠকে তিস্তাচুক্তি নিয়েও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান বিদেশসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

তিনি বলেন, তিস্তা ছাড়াও আমাদের অনেক অভিন্ন নদী আছে। সেসব নদীর অগ্রগতি আছে। এখন সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি আমরা। তিস্তার জন্য অন্যান্য অগ্রগতি থামিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে তিস্তার ক্ষেত্রে টেকসই সমাধানের জন্য কাজ করবেন বলে জানান মাসুদ বিন মোমেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ আগস্ট করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমান যোগাযোগ ফের চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ।

এদিন সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর দফতরে বিদায়ী সাক্ষাত্কালে তিনি প্রতিমন্ত্রীকে দুই দেশের বিমান চলাচল শুরু করতে ভারতের এয়ার বাবলে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী এটি চালুর বিষয়ে একমত পোষণ করে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I