ঢাকা: নিহতের সংখ্যা ৮০ ছুঁই ছুঁই৷ এখনও অনেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন৷ এদের অনেকেই আশঙ্কাজনক৷ ফলে ভয়াবহ চকবাজার অগ্নিকাণ্ডের পর নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ এরই মাঝে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে উঠে এসেছে আগুন ধরে যাওয়ার একটি কারণ৷ তাতে স্পষ্ট, বেআইনিভবে মজুত করা প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল৷ ব্যবসায় লাভের জন্য কোনও আইন তোয়াক্কা না করে ঢাকার চকবাজারের ওয়াহেদ ম্যানশনকে অচিরেই জতুগৃহে পরিণত করা হয়৷

২০ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস অনুষ্ঠানের কিছু আগে থেকেই ওয়াহেদ ম্যানশনের পাঁচতলা ভবন আগুনের গ্রাসে চলে যায়৷ বাড়তে থাকে মৃতের সংখ্যা৷ সেই স্থান পরিদর্শন করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তথা সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের৷

তিনি জানিয়েছেন, আমরা ইতিমধ্যে প্রশাসনিক স্তরে পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু করেছি৷ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি- অবৈধ কেমিক্যাল এবং রাসায়নিক বিক্রি করে এমন দোকান চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনার।

এদিকে আগুনে পুড়ে মৃত্যুপুরী হয়ে থাকা ওয়াহেদ ম্যানশনের কাঠামো পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্থ৷ এই ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি। ভবনটির একাধিক তলা ঘুরে দেখেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। মূল ভবনটি ছাড়াও পাশের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনও পরিদর্শন করেন তাঁরা।

জানানো হয়েছে, ভবনের ভেতরে গ্যাস লাইটার রিফিলের পদার্থ ছিলো। এটা নিজেই একটা দাহ্য পদার্থ। এছাড়া আরও অন্যান্য কেমিক্যাল ছিল। প্রত্যেকটা জিনিসই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করেছে। পারফিউমের বোতলে রিফিল করা হতো এখানে। সেই বোতলগুলো ব্লাস্ট হয়ে বোমের মতো কাজ করেছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।