লন্ডন:পরীক্ষায় সফল, এবার সরাসরি যুদ্ধে প্রয়োগ। ইংল্যান্ডে করোনা রোগীদের ডেক্সামেথাসোন দেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত কয়েকমাস ধরে সফল পরীক্ষার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বাস্থ্য মন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, দেশে এই মুহূর্তে ২,৪০,০০০ ডেক্সামেথাসোন মজুদ রয়েছে। ফলে সরবরাহের খামতি হবে না।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, ইংল্যান্ডে করোনা সংক্রমণ হয়েছে ২ লক্ষ ৯৯ হাজারের বেশি। মৃত ৪২ হাজারের বেশি। মৃতের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইংল্যান্ড। এই অবস্থায় ডেক্সামেথাসোনের কাজকে যুগান্তকারী আবিষ্কার বলে চিহ্নিত করা হয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন ডেক্সামেথাসোন নামে সস্তা ও সহজলভ্য ওষুধ করোনাভাইরাসে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জীবন রক্ষা করতে সাহায্য করবে।গুরুতর অসুস্থ কোভিড রোগীদের প্রয়োজন হয় অক্সিজেন চিকিৎসা। তাতে কাজ না হলে কৃত্রিমভাবে শ্বাস নেবার জন্য ভেন্টিলেটর লাগাতে হয়। এই রোগীদের জন্যই ডেক্সামেথাসোন সাহায্য করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালিত এই ট্রায়ালে বিভিন্ন হাসপাতালে দুই হাজার গুরুতর রোগীর ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল।

ট্রায়ালে দেখা গেছে, যেসব রোগী ভেন্টিলেটরে ছিলেন তাদের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি এই ওষুধ নেবার ফলে ৪০% থেকে কমে ২৮%এ দাঁড়ায়।আর অক্সিজেনের প্রয়োজন পড়ছিল এমন রোগীর বেরায় মৃত্যুর ঝুঁকি ২৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নামে।

বিবিসি জানাচ্ছে, রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞরাও বলেছেন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই স্বল্প মাত্রার স্টেরয়েড চিকিৎসা একটা যুগান্তকারী আবিষ্কার।

গবেষকরা আরও বলছেন ব্রিটেনে যখন করোনা মহামারি শুরু হয়েছে তার প্রথম থেকেই যদি এই ওষুধ ব্যবহার করা সম্ভব হতো তাহলে পাঁচ হাজার পর্যন্ত জীবন বাঁচানো যেত। কারণ এই ওষুধ সস্তা।

দরিদ্র দেশগুলোতে কোভিড ১৯ রোগীদের চিকিৎসায় এই ওষুধ কাজে লাগতে পারে। এবং যেসব দেশ রোগীদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে এটা তাদের জন্য বিরাট সুখবর।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ