মন্দিরে আমরা প্রার্থনা করতে গিয়ে ফেরার পথে আমাদের দেওয়া হয় প্রসাদ। ফল বা মিষ্টি দেওয়া হয় সাধারণত। কিন্তু মন্দিরে গেলেই যে সোনা পাবেন এমনটা জানতেন? আসলে আমাদের দেশ ভারতে এমন বহু মন্দির আছে যেখানকার নিয়ম-রীতি অবাক করার মতো।

মন্দির মানেই সেখানে নির্মাণ ও তার রক্ষনা-বেক্ষণে হাজার হাজার টাকা খরচ হবে তা সকলেই জানি। কিন্তু এখানে তো প্রসাদ হিসেবেই দেওয়া হয় সোনার অলংকার, সোনা বা রুপোর কয়েন। আমাদের দেশেই রয়েছে এমন এক চমকে দেওয়া মন্দির। তা আবার রয়েছে আমাদের পাশেই মধ্যপ্রদেশের রতলামে।

রতলামের মহালক্ষ্মী মন্দির এই কারণেই বিখ্যাত। মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে সেখানে আপনি দেখতে পাবেন মা লক্ষ্মীকে। প্রতিপত্তি-সম্পদ মায়েরই দান, এমনই বিশ্বাস মন্দির কমিটির। মন্দিরটি প্রতিবছর কোটি টাকার যে নৈবেদ্য পায় সেই ঐশ্বর্য তারা ব্যয় করেন মন্দিরের স্বার্থেই ও ভক্তদের জন্যেই। মা লক্ষ্মীকে এখানে ভোগ হিসেবে অর্পণ করতে হয় সোনা বা রুপোর কয়েন বা অলংকার।

আরো পোস্ট- করোনা থেকে বাঁচতে এসব খাবার এখুনি দূরে সরান

প্রতি বছর দীপাবলির আশপাশের সময়ে এই নৈবেদ্যর একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রসাদ আকারে ভক্তদের মইধ্যে বিয়ে দেওয়াই এখানকার নিয়ম হিসেবে চলে আসছে। কুবের দরবার নামে একটি অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তা দেওয়া হয় ভক্তদেরকে। বলা হয় যে লোকেরা মন্দিরে লোভের বশে নয়, এই টাকাই তারা মায়ের আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করে। কারণ তাদের মধ্যে অনেকেরই ভ্রমণ ব্যয় প্রায়শই প্রসাদের ব্যয়ের চেয়ে বেশি হয়ে যায়।

ওই বিশেষ উৎসবের দিনে ২৪ ঘন্টাই মন্দির খোলা থাকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে। প্রাপ্ত সেই সম্পদ কখনও ব্যয় বা বিক্রি করেন না ভক্তরা। বরং ওই টাকা যাতে নিরাপদ থাকে তাই তাকে সবথেকে বেশি নিরাপদ স্থান যেমন লকারে রাখা হয়। দেবীর উদ্দেশ্যে দান করা প্রত্যেকটি নৈবেদ্য নথিবদ্ধ করে মন্দির কর্তৃপক্ষ যাতে ভক্তদের মধ্যে তা দেওয়ার সময়ে প্রসাদ আকারে কতটা পরিমাণ সোনা ফিরিয়ে দিতে হবে তাদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.