নয়াদিল্লি: নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগেরদিন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ সস্ত্রীক পুজো দিলেন উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরে। এদিন নিজের টুইটারে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে ফড়নবীশ লিখেছেন, “আজ সকালে মন্দির দর্শন এবং আশীর্বাদ নিলাম। হর হর মহাদেব।” এক্সিট পোলগুলির তথ্য অনুযায়ী মারাঠা রাজ্যে গেরুয়া ঝড় যে এবারও উঠতে চলেছে তা একপ্রকার নিশ্চিত।

বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ৷। এই দুই রাজ্যতেই কোমর বেঁধে প্রচারে নেমেছিল পদ্ম শিবির। যেভাবে দুই রাজ্যতে বিজেপি প্রচার করেছিল তার ধারেকাছে পৌছতে পারেনি কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি। নির্বাচন উপলক্ষে মহারাষ্ট্রতে গিয়েছিলেন বিজেপির মহারথীরা। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন সেখানে। নির্বাচনী সমাবেশ থেকেই তিনি বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। এই রাজ্যতে যে পুনরায় ক্ষমতায় গেরুয়া শিবিরই থাকবে তা নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও।

ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এগজিট পোল অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে ২৮৮টি আসনের মধ্যে এবার ১০৯-১২৪টি আসনে জিতবে ফড়নবীশ শিবির। শিব সেনা পাবে ৫৭-৭০টি আসন। ৪০-৫০টি আসনে জিততে পারে এনসিপি। কংগ্রেসের হাতে থাকতে পারে ৩২-৪০টি আসন। সিএনএন নিউজ ১৮ ও আইপিএসওএসের এগজিট পোল অনুযায়ী, বিজেপি-শিবসেনা জোট পেতে পারে ২৪৩টি আসন, কংগ্রেস-এনসিপি পেতে পারে ৪১টি আসন, অন্যান্যরা পেতে পারে ৪টি আসন।

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি বিধানসভা আসন ও হরিয়ানার ৯০টি আসনে এদিন এক দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব চলে। দুই রাজ্যেই বিজেপি-র ভোটে ইস্যু কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ ও জাতীয়তাবাদ। শেষ পর্যন্ত এগজিট পোলের ফল বাস্তবে মেলে কিনা তারজন্য আর কয়েকঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে৷

উল্লেখ্য, লোকসভা ভোট চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভা নির্বাচনের কারণে কেদার- বদ্রিতে গিয়েছিলেন। সেখানে দুদিন কাটিয়েছিলেন মোদী৷