হাওড়া: সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজে গৃহীত হয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেজর ইরিগেশন অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট। এই কাজের শুভ সূচনা করলেন রাজ্যের সেচ ও জলপথ, পরিবহন এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বুধবার হাওড়ার উদয়নারায়ণ পুরের খিলা স্কুল মাঠে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মন্ত্রী বলেন, ”আমতা, উদয়নারায়ণপুর সহ হাওড়া ও হুগলি জেলায় বন্যা কিছুদিনের মধ্যেই অতীত হয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, ”পাঁচটি জেলা নিয়ে এই প্রকল্পের কাজ চলবে। খরচ পড়বে ২,৯৩১ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। এই কাজের শেষে পাঁচটি জেলায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি এবং হাওড়া ও হুগলিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, হাওড়া ও হুগলি মিলিয়ে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষ এতে উপকৃত হবেন। বিশ্ব ব্যাঙ্ক ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেসমেন্ট ব্যাঙ্কের যৌথ আর্থিক সহায়তায় রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি রূপায়িত হচ্ছে।” এই প্রকল্পেয় মাধ্যমে ১৮০ কিমি প্রধান সেচ খাল এবং ২৭০০ কিমি দীর্ঘ অন্যান্য সেচখালের উন্নতিও হবে বলে জানান তিনি।

এছাড়াও বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মুন্ডেশ্বরী নদী ও অন্যান্য নিকাশী খালের পলি উত্তোলন এবং নিম্ন দামোদর সহ বিভিন্ন নদী বাঁধগুলির উচ্চতা বৃদ্ধি ও মজবুত করে তোলা হবে। একইসঙ্গে ভাঙন প্রবণ এলাকার নদী পাড়গুলি বাঁধানো হবে। এতে দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, হাওড়া ও হুগলিতে চাষের ব্যাপক উন্নতি হবে। হাওড়া ও হুগলিতে বন্যা প্রতিরোধ হবে। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে যাবে। ৬ বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী নির্মল মাজি, বিধায়ক পুলক রায়, গুলশান মল্লিক সহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব