নয়াদিল্লি: বিজয় হাজারে ট্রফিতে টানা চতুর্থ ম্যাচে শতরান করে তাক লাগালেন কর্ণাটক ব্যাটসম্যান দেবদূত পারিক্কল। মরুশহরে আরসিবির জার্সিতে ২০২০ আইপিএলের আবিষ্কার ছিলেন তিনি। আর এবার বিজয় হাজারে ট্রফিত্র স্বপ্নের ফর্মে বিরাজ করে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে জাতীয় দলে ঢোকার কড়া নাড়া শুরু করে দিলেন পারিক্কল। রবিকুমার সামর্থ এবং দেবদূত পারিক্কলের শতরানে ভর করে কেরালাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফির ফাইনালে প্রবেশ করল কর্নাটক।

ওডিশার বিরুদ্ধে ১৫২, কেরলের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১২৬ এবং রেলওয়েজের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৪৫ রান। এই ছিল গত তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে পারিক্কলের পরিসংখ্যান। এদিন দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে টস জিতে প্রথমে কর্নাটককে ব্যাটিং’য়ে আমন্ত্রণ জানায় কেরল। অধিনায়ক রবিকুমার সামর্থর সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে ২৪৯ রান তলেন পারিক্কল। যদিও শতরান পূর্ন করার পর ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি আরসিবি ব্যাটসম্যানের।

তবে পারিক্কল আউট হলেও থামানো যায়নি অধিনায়ক সামর্থকে। শ্রীসন্থ, বাসিল থাম্পিদের উপর এদিন ভীষণরকমের নির্দয় ছিলেন কর্ণাটক অধিনায়ক। নিশ্চিত দ্বিশতরান থেকে আট রান দূরে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাঁকে। সামর্থর ১৫৮ বলে ১৯২ রানের ইনিংস এদিন সাজানো ছিল ২২টি চার এবং ৩টি ছয়ে। ওপেন করতে নেমে ৪৯তম ওভারে গিয়ে আউট হন সামর্থ। অন্যদিকে পারিক্কলের শতরানের ইনিংসে ছিল ১০টি চার এবং ২টি ছয়।

শেষ অবধি নির্ধারিত ৫০ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে পাহাড়প্রমাণ ৩৩৮ রান তোলে কর্ণাটক। এখনও অবধি টুর্নামেন্টে ৬টি ম্যাচ থেকে পারিক্কলের সংগ্রহে ৬৭৩ রান। ৩৩৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৪৩.৪ ওভারে মাত্র ২৫৮ রানে শেষ হয়ে যায় কেরলের ইনিংস। কেরলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯২ রান করেন বৎসল গোবিন্দ। এছাড়া ৫২ রানের ইনিংস খেলেন মহম্মদ আজহারঊদ্দিন। তবে ম্যাচ জয়ের জন্য এই দু’টি ইনিংস পর্যাপ্ত ছিল না।

কর্ণাটকের হয়ে বল হাতে নায়ক রণিত মোরে। ৩৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। ৮০ রানে ম্যাচ জিতে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে কর্ণাটক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.