মুম্বই: ২০২১ আইপিএলে বিরাট কোহলিদের সুহানা সফর অব্যাহত৷ প্রথম চার ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবলে এক নম্বর রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ বৃহস্পতিবার রাজস্থান রয়্যালসকে ১০ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড গড়েছে আরসিবি৷ আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় কনিষ্ঠ হিসেবে সেঞ্চুরি করে এলিট ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন দেবদূত পারিক্কল৷

মরু শহরে ২০২০ আইপিএলে পারিক্কলের ব্যাটিং দেখে মজেছিলেন ক্রিকেটের ‘রাজপুত্র’। চলতি মরশুমের শুরুতেই আরসিবি-র এই তরুণ ওপেনারকে একটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ব্রায়ান চার্লস লারা। চতুর্দশ আইপিএলে পারিক্কলের ব্যাট থেকে জোড়া সেঞ্চুরু দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটের রাজপুত্র। লারার ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার আইপিএলে নিজের পয়লা শতরানটি করেন কর্নাটকি বাঁ-হাতি ওপেনার।

বৃহস্পতিবার ৫১ বলে বিস্ফোরক সেঞ্চুরি করে নেটদুনিয়ায় চর্চায় পারিক্কল৷ সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল সেঞ্চুরি করলেন আরসিবি ওপেনার৷ একই সঙ্গে চলতি মরশুমে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি এল তাঁর ব্যাট থেকে৷ এর আগে ২০২১ আইপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি এসেছে রাজস্থান রয়্যালস ক্যাপ্টেন সঞ্জু স্যামসনের ব্যাট থেকে৷

আইপিএলে কনিষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরির রেকর্ড মনীশ পান্ডের দখলে৷ ২০০৯ আইপিএলে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি৷ দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আরসিবি-র জার্সিতে ডেকান চার্জার্সের বিরুদ্ধে মাত্র ১৯ বছর ২৫৩ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করেছিলেন মনীশ৷ দ্বিতীয় কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড রয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালসের ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্তের৷ ২০১৮ আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদধে ১২৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন পন্ত৷ তখন তাঁর বয়স ছিল ২০ বছর ২১৮ দিন৷ আর বৃহস্পতিবার ২০ বছর ২৮৯ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করলেন পারিক্কল৷

পারিক্কলের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ তাঁর সেঞ্চুরিতে ভর করে আইপিএলে সেঞ্চুরির নিরিখে শীর্ষে উঠল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ এখনও পর্যন্ত ট্রফি না-জিতলেও আইপিএলে ১৪টি সেঞ্চুরি এসেছে আরসিবি খেলোয়াড়দের ব্যাট থেকে৷ তার পর রয়েছে পঞ্জাব কিংস ১৩টি এবং দিল্লি ক্যাপিটালস ১০টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.