পশ্চিম মেদিনীপুর: এবার ডেবরায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। ডেবরায় গিয়ে উৎসবের মঞ্চ থেকে দলের মনোনীত প্রার্থীকে সম্মান করা উচিত বলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধদের বার্তা দিলেন অভিনেতা দেব। শিল্পীদের প্রার্থী আসনে বসিয়ে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে বাহবা জানিয়ে ধন্যবাদ জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এই অভিনেতা সাংসদ।

শুক্রবার তৃণমূলের যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভাবে তারকা খচিত। নাম রয়েছে ১৪জন তারকার। রাজ চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, সোহম চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সি, কৌশনি মুখোপাধ্যায়, মনোজ তিওয়ারি-দের নাম রয়েছে এই তালিকাতে। তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে তাঁদের নিয়ে ক্ষোভ ও শোরগোল শুরু হয়ে যায় । তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন সাংসদ দেব অধিকারী।

আরো পোস্ট- ওজন নিয়ন্ত্রণের সুস্বাদু রেসিপি হাতে…বানান শসার স্যুপ

বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী কৌশানি মুখোপাধ্যায়,আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী সায়নী ঘোষ, উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী কাঞ্চন মল্লিক,বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী,চণ্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রতে প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী, বারাসত বিধানসভা কেন্দ্রতে তারকা প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী,রাজারহাট বিধানসভা কেন্দ্রতে এবারের তারকা প্রার্থী অদিতি মুন্সি​। প্রার্থী তালিকা ঘোষনা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে তারকা প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা শুরু করেছেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা।

আসানসোল দক্ষিণ থেকে এবার তৃণমূলের টিকিটে লড়ছেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। আসানসোল পুরনিগমের পাঁচবারের কাউন্সিলর লক্ষ্মণ ঠাকুরকে টিকিট না দিয়ে কেন সায়নীকে প্রার্থী করা হল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ। বাঁকুড়া থেকে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন সায়ন্তিকাকে প্রার্থী করা হল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। উত্তম দাসকে প্রার্থী না করে বারাকপুরে পুর প্রশাসক রাজ চক্রবর্তীকে প্রার্থী করায়, ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু সমর্থক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.