কলকাতাঃ দীর্ঘ দিন পর আবার জুটি বাঁধছেন দেব শ্রাবন্তী। ছবির নাম ‘খেলাঘর’। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবি আধুনিক সমাজে নারী পুরুষের সম্পর্কের টানাপড়েনের গল্প বলবে। ছবিতে পাওলি দামও রয়েছেন। এই প্রথমবার দেব, শ্রাবন্তী ও পাওলি একসঙ্গে কাজ করবেন।

ছবির গল্প প্রসঙ্গে লীনা বলেছেন, ‘আমি সম্পর্কের গল্প বলতে ভালবাসি। নারী পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে অনেক পরত থাকে। তাই এই ধরণের গল্প দর্শকের কাছে কখনও পুরনো হয় না’। লীনা এবং শৈবাল এর আগে একসঙ্গে দুটি ছবি করেছেন। ‘মাটি’ এবং ‘সাঁঝবাতি’ এই দুটিও সম্পর্কের গল্পকেই তুলে ধরেছে। তবে ‘খেলাঘর’-এ একটি পুরুষ এবং দুজন নারীর ত্রিকোণ প্রেমের সমীকরণ কিরূপ হতে চলেছে সেই রহস্য উদ্ঘাটন করেননি দুই পরিচালক। ছবির প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী বলেছেন, ‘সব ধরণের দর্শককে বিনোদন দিতে হলে ফ্যামিলি ড্রামার কোন বিকল্প হয় না।’

দেবের চরিত্র এই ছবিতে বেশ চ্যালেঞ্জিং। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, ‘আমার এত বছরের অভিনয় কেরিয়ারে এমন চরিত্র আমি আগে করিনি। লীনাদি, শৈবালদা এমন চরিত্র লেখেন যেগুলিতে অভিনয়ের সুযোগ থাকে।’ তবে চরিত্র নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয়ের পাশাপাশি দেব এই ছবির অন্যতম প্রযোজকও। প্রযোজক অতনুর বেঙ্গল টকিজের সঙ্গে দেব এন্টারটেনমেন্টের এটি দ্বিতীয় প্রোজেক্ট।

শ্রাবন্তীর সঙ্গে এই প্রথম কাজ করতে চলেছেন লীনা ও শৈবাল। শ্রাবন্তী প্রসঙ্গে লীনা বলেছেন, ‘শ্রাবন্তীর অন্য ধারার দু একটি ছবি দেখে মনে হয়েছিল ও পারবে এই কাজটা করতে।’ ছবিতে নিজের চরিত্র নিয়ে শ্রাবন্তীও বেশ উচ্ছ্বসিত। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এই ছবিতে আমি একটি বাচ্চার মা। এক দিকে মা অন্যদিকে স্ত্রী হিসাবে চরিত্রের যে টানাপড়েন সেটি খুব সুন্দর করে তৈরি করেছেন লীনাদি ও শৈবালদা। আর এত দিন পর দেবের সঙ্গে আবার কাজ করতে যাচ্ছি সেই জন্যেও খুব ভালো লাগছে।’

রাজনীতির মাঠে এই দুই তারকা এখন দুই বিরোধীপন্থী তা সবাই জানি। কাজের জায়গায় তার প্রভাব পরতে পারে কি? এর উত্তরে দেব ও শ্রাবন্তী দুজনেই জোর দিয়ে জানিয়েছেন, তা কখনই পড়বে না।

করোনা পরিস্থিতিতে ছবির শুটিং প্রসঙ্গে অতনু বলেছেন, ‘আমরা এক রকম পরিকল্পনা করছি, আর ঘটছে অন্যরকম। তাতে ছবির বাজেটেও প্রভাব পড়ছে।’ আগামী অগাস্ট কিংবা সেপ্টেম্বর থেকেই শুটিং শুরুর পরকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের। ২০২২ এর জানুয়ারিতে এই ছবি মুক্তির কথা ভাবছে তারা। আগামী শীতে দেবের ‘কিশমিশ’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.