কলকাতা: তেলেঙ্গানা ধর্ষণ কাণ্ডে প্রধান চার অভিযুক্তর এনকাউন্টারে মৃত্যুতে উচ্ছ্বসিত অধিকাংশ দেশবাসী। হায়দরাবাদ পুলিশকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা৷ পুলিশ কমিশনার ভি এস সজ্জনার স্তুতিতে মুখর হয়েছেন সাধারণ মানুষ। পুলিশকে কুর্ণিশ জানাতে পিছিয়ে ছিল না বাংলার চলচ্চিত্র জগতও৷

পড়ুন আরও- দেশবাসী উচ্ছ্বসিত হলেও এনকাউন্টারের তীব্র নিন্দা মমতার

তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহান টুইটারে লিখেছেন, ”শেষপর্যন্ত বিচার হল, আইন-বিচার ব্যবস্থার কাউকে না কাউকে তো বিচার পাইয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিতেই হবে। সকলে প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন। অপরাধীর বেঁচে থাকার অধিকার নেই।”

তৃণমূলের সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী লিখেছেন, ”অবশেষে তোমার আত্মা শান্তি পেল। এনকাউন্টারের পর হায়দরাবাদ পুলিশকে নিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের সেলিব্রেশনের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন মিমি।” হায়দরাবাদ পুলিশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঘাসফুলের আরও এক সাংসদ দেব৷

 

তবে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসার যোগ্য বললেও এনকাউন্টারের ঘটনায় খানিকটা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি লিখেছেন,” পুলিশের ঘেরাটোপ থেকে অত ভোরে অভিযুক্তরা কীভাবে পালানোর চেষ্টা করছিল সেটা বুঝলাম না, তবে পুলিস যেটা করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

গত ২৭ নভেম্বর হায়দরাবাদের সামশাবাদ এলাকায় তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়। শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত চার জন পালানোর চেষ্টা করলে এনকাউন্টারে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশের দাবি, সে সময় তাঁদের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তেরা। আত্মরক্ষার্থে তাদের গুলি করে মারা হয়। ভোররাতের তেলঙ্গানা এনকাউন্টারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশ জুড়ে শুরু হয়ে যায় প্রশংসার বন্যা। এ দিন পুলিশকে লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি হয়েছে।

ইতিমধ্যে এই ঘটনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। তবুও সেসবে পাত্তা দিতে নারাজ সাধারণ মানুষেরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে বাস্তবের সিঙ্ঘম, সিম্বার সঙ্গে তুলনা করছেন অনেকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ