কলকাতা: রিয়েল লাইফের সুপারহিরোরা উড়তে পারেনা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিমেষের মধ্যে পৌঁছে যেতে পারে না। কিন্তু তারা পারে যেকোনো অবস্থায় সাধারণ মানুষের বিপদে ঝাপিয়ে পড়ে তাদের সাহায্য করতে তাদের সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে ।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির আকাশে যখন ‘মানুষের জন্য কাজ করতে চাই’ বলে এফুল ওফুল লাফালাফির ছবি।এদল থেকে ওদলে যাওয়ার হিড়িক উঠেছে, ঠিক তার আগের মুহূর্তে বা লকডাউন এর সময় থেকে একজন নেতা ও অভিনেতাকে পশ্চিমবাংলার মানুষ চিনেছে ট্রু জনদরদী হিসেবে।

তবে তিনি সে কাজগুলো করেছিলেন একান্তই নিজস্ব ইচ্ছায় তাতে আলাদা করে কোনো রাজনীতির বা ধর্মের রং তিনি লাগাননি কখনো। সব থেকে বড় কথা তিনি বা তার প্রোডাকশন হাউস এটা নিয়ে আলাদা করে কোনো দিন কোনো প্রচার মাধ্যম বা প্রচার স্ট্রাটেজির দ্বারস্থ হন নি।

বরং, কাউকে কিছু না জানিয়ে নীরবে কী করে মানুষের জন্য ভাবতে হয় মানুষের জন্য কাজ করতে হয় এবং করে যেতে হয় তাই দেখিয়ে গেছেন সাংসদ অভিনেতা দেব। তাই দেব অনেক আগেই বহু মানুষের জীবনে দেবতারূপে অবতীর্ণ হয়েছেন ।

করোনা আবহে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের নেপাল, বাংলাদেশ থেকে দেশে বহু মানুষকে নিরাপদে ঘরে ফিরেয়েছেন ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ। দুঃস্থ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া থেকে, করোনা আক্রান্তদের চিকিত্সার সুব্যবস্থা করে সবার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন টলিগঞ্জের এই তারকা সাংসদ। এই সময়টায় ছিল না ভোটের গন্ধ,ছিল না প্রচার এর দরকার । এ শুধুই তার মানবিকতার উদাহরণ।

এবার ডান্স ডান্স জুনিয়র ২ এর প্রতিযোগী মধুমিতার স্বপ্ন পূরণ করল দেব। মধুমিতার বাবার ক্যানসার। একমাত্র ভাইয়ের দৃষ্টিশক্তিও ক্রমশ ক্ষীণতর হচ্ছে। মধুমিতা ও তার পরিবার মধুমিতাদের আর্থিক অবস্থা মোটেই ভাল নয়। মধুমিতা কোনোদিন সমুদ্র দেখেনি। কিন্তু তাঁর ইচ্ছে ছিলো সমুদ্র দেখার।মধুমিতার আশা ভরা চোখে দেখা এই স্বপ্নের কথা কানে পৌঁছে যায় দেবের।

স্টার জলসার টিম ‘ডান্স ডান্স জুনিয়র ২’ আর দেব একজোট হয়ে সমুদ্রের ধারে। মা-বাবা-ভাইকে নিয়ে পৌঁছে গেল প্রতিযোগী মধুমিতা। তাঁরা কেউই যে কোনও দিন সমুদ্র দেখেননি। খুশিতে আপ্লুত হয়ে,সমুদ্রের ধারে পৌঁছেই বালির পাড়ে নেচে ওঠে মধুমিতা। দেবের এহেন মানবিকতার নিদর্শনকে তাই আরও একবার কুর্নিশ জানিয়ে বলতে হচ্ছে, সত্যিই আপনি ‘দেব দ্য সুপারস্টার’ আর সাধারণ মানুষের জন্য ‘সুপার হিরো’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.