কলকাতা : বিনা পয়সায় খাবার দেবেন দেব। এমনটাই তিনি জানিয়েছেন সোশ্যাল মাধ্যমে। করোনা আক্রান্তদের জন্য এই বিনামূল্যে খাবার বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা ও সাংসদ দেব।

দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত তারা খাবার দেবেন। খাবারে ভাত, ডাল, রুটি, সবজি, তরকারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আজ প্রথম দিন। ৫০টি প্যাকেট আজ বিলিয়েছেন। এরপর ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। সর্দারনি পরমজিত কৌর মেডিকেল ট্রাস্টের সঙ্গে একযোগে হাত মিলিয়ে এই কাজ করছেন দেব। জানা গিয়েছে, তাদের ২৫ শরৎ ব্যানার্জি রোডের কাছে একটি সেন্টার করা হয়েছে। সেখানে খাবার রাখা থাকবে। যাদের দরকার তারা তাদের সময় মতো নিয়ে চলে যাবেন।

গত বছর করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন দেব। নেপাল থেকে বাংলার বিভিন্ন জেলার ২৪৭ জন পরিযায়ী শ্রমিককে ঘরে ফেরান তিনি। এই কথা তিনি টুইট করে প্রকাশ করেছিলেন।

তারকা সংসদ টুইট করে লিখেছিলেন, “২০০ জনেরও বেশি শ্রমিককে নেপাল বর্ডার থেকে ঘাটালে সুরক্ষিতভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এজন্য আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর টিমের সদস্যদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি, দার্জিলিঙের সিএস, ডিএম, গৌতম সান্যাল সহ অন্যান্যদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। “

দেব এক সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছিলেন, তিনি একা এই কাজটি কোনওভাবেই করতে পারতেন না। পুরো টিম সমানভাবে কাজ করেছে। বাসে করে যাওয়া, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা এবং বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া সমস্তটা পুরো টিম মিলে না করলে সম্ভব হতো না বলে জানিয়েছিলেন দেব।

এরপরে জম্মু-কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়ে লকডাউনের জন্য আটকে থাকা ৩৯ জন পর্যটককে ফিরিয়েছিলেন দেব। তাঁরা জানতে পেরেছিলেন দেব নেপাল থেকে ঘাটালে পরিযায়ী শ্রমিকদেরকে ফিরিয়েছেন। তখন এই পর্যটকরাও দেবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দেব তাদের ঘরে ফেরান।

জানা গিয়েছিল লকডাউনের আগে বেড়াতে গিয়ে এঁরা হোটেলে আটকে ছিলেন। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন তাঁরা। অবশেষে একটা সময় টাকা শেষ হয়ে গিয়েছিল। এরপর নেপাল থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর কথা জানতে পারেন তাঁরা। সেই মতই দেবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন ওই পর্যটকরা।

দেব জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের কাছে খবর পৌঁছয়। তৎপরতার সঙ্গে পর্যটকদের ঘরে ফেরার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.