ভিক্টোরিয়া: সামরিক ঘাঁটি বানাতে দ্বীপরাষ্ট্র সেশেলসের সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি করেছে ভারত৷ সেই চুক্তির যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য, ছবি, ম্যাপ ও ভিডিও এখন অনলাইনে৷ কেউ বা কারা চুক্তির গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে ইন্টারনেটে৷

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হতেই শোরগোল পরে গিয়েছে দিল্লিতে৷ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই ভাবে অনলাইনে চুক্তির গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতে বিদেশ মন্ত্রকের আধিকারিকরা৷

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে সেশেলস থেকে ফাঁস হয়েছে এই তথ্য৷ তবে দুই দেশের সরকার গোটা ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে৷ ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিশেলস সফরে গিয়ে এই চুক্তিতে সই করে আসেন৷ তবে সেটা ছিল মূল চুক্তি৷ এরপর দুই দেশের মধ্যে সেই চুক্তি নিয়ে আরও আলোচনা হয়৷

সেই অনুযায়ী চুক্তিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়৷ চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ভারতের বিদেশ সচিব এস জয়শঙ্কর সিশেলসে গিয়ে সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত আরও একদফা চুক্তি সম্পাদন করে আসেন৷ তখন এক বিবৃতিতে জয়শঙ্কর জানিয়েছিলেন, ‘ভারত ও সেশেলস যৌথ উদ্যোগে অ্যান্টি-পাইরেসি অপারেশন চালাতে এই চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। এর ফলে অবৈধভাবে ড্রাগ পাচার, মানব পাচারের মত ঘটনা আটকানো সম্ভব হবে।’

২০১৫ সালের তুলনায় এবারের চুক্তিপত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য ছিল৷ তা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবে চিন্তায় দুই দেশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।