তেহরানঃ  মার্কিন একাধিপত্য নস্যাতের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। এমনটাই বললেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে সম্প্রতি ফোনে কথা হয় রুহানির। এরপরেই এহেন আহ্বান জানান তিনি।

ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা থেকে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “মার্কিনিদের জানা উচিত- আন্তর্জাতিক চুক্তি থেকে তারা কোনও মূল্য না দিয়ে নিরাপদে বের হয়ে যেতে পারে না।” রুহানি আরও বলেন, “ইরান আশা করে, পরমাণু সমঝোতা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আমেরিকা যে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব নেতারা তার নিন্দা করবেন।”

প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, সমঝোতা থেকে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার পর এখন নিশ্চিত করা দরকার যে, এ সমঝোতার পূর্ণ সুবিধা তেহরান পাবে। এজন্য পরমাণু সমঝোতায় সই করা অন্য পাঁচটি দেশের উচিত স্বচ্ছতার সঙ্গে ঘোষণা করা যে, আমেরিকার অবর্তমানে তারা কীভাবে এ সমঝোতা নিয়ে এগিয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, ইরানি জাতির ওপর নতুন করে যেকোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার অর্থ হবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন হওয়া ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, কোনো দেশের ওপর আমেরিকার অভ্যন্তরীণ আইন চাপানোর সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে কোনও বেআইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান ও তুরস্ক সবসময় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি তেহরান ও আংকারার মধ্যকার সম্পর্ক আরো গভীর করার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট রুহানি।

ফোনালাপে এরদোগান পরমাণু সমঝোতাকে ‘সফল চুক্তি’ অভিহিত করে বলেন, আন্তর্জাতিক এ সমঝোতা রক্ষার জন্য প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। তিনি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানান। এরদোগান বলেন, ট্রাম্পের এই ভুল পদক্ষেপের কারণে স্বাভাবিকভাবে আমেরিকা ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনিও ইরান-তুরস্ক সম্পর্ক বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মার্কিন হস্তক্ষেপকামী পদক্ষেপের মুখে দু দেশের অর্থনীতিকে রক্ষার কথা বলেন

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।