নয়াদিল্লি : একদিকে বৈঠকে সেনা সরানোর প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে গোপনে ভারত সীমান্ত জুড়ে সেনা মুজ। এই দ্বিচারিতা নিয়েই নতুন খেলা শুরু করেছে চিন। রিপোর্ট বলছে পিএলএ-র টিবেট মিলিটারি কমান্ড ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়াচ্ছে। জোর দেওয়া হচ্ছে ইন্টেলিজেন্স, সারভেলেন্স, টার্গেট অ্যাকুইজেশন, রিকনসাঁসের ওপর (ISTAR)।

ব্রিটেনের এক তথ্য প্রদানকারী সংস্থা জেনস জানাচ্ছে ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় জোর বাড়াচ্ছে চিনা সেনা। লাদাখ সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তে সহমত হওয়ার পরেও চিনের এই ধরণের আচরণ বেশ দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রিপোর্ট জানাচ্ছে চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন ৭-য়ে যে ফুটেজ প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তের জিয়াও পোস্ট বরাবর চিনা সেনা নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করছে। বানানো হচ্ছে সেনা ব্যারাক, ক্যাম্প, অস্ত্র রাখার ছাউনি, গাড়ির সংখ্যাও বাড়ছে।

মার্চ মাসেই খবর এসেছিল ডেপসাং এলাকায় নয়া নির্মাণ কাজ শুরু করেছে চিন। রাতের অন্ধকারে কাজ চলছে সেখানে। একাধিক ছাউনি তৈরি করেছে চিনা সেনা বলে উপগ্রহ চিত্র (satellite images) জানাচ্ছে (images show Chinese buildup)। লাদাখের প্যাংগং থেকে সেনা সরালেও চিন যে এত সহজে সীমান্তে দখলদারি মনোভাব ছেড়ে দেবে, তা নয়। সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার বা এসএআর চিত্র (Night-time satellite images) হাতে আসে ভারতের।

উল্লেখ্য বেশ কয়েকদিন আগেই ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন চিনা সেনার দুরভিসন্ধির শেষ নেই। চিনের প্রতিটি পদক্ষেপ দখলদারি মনোভাবমূলক। সেই সব আগ্রাসী পদক্ষেপ ঠেকাতে হবে ভারতকে। তাই প্রত্যেক মুহুর্তে সতর্ক থাকতে হবে। নাম না করে চিনকে পরেও একহাত নিয়েছেন রাজনাথ। তিনি বলেছিলেন বিশ্বের যে কোনও সুপার পাওয়ারকেই যোগ্য জবাব দিতে সবসময় প্রস্তুত ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা দেন রাজনাথ। আট মাস ধরে লাদাখ সহ চিন সীমান্তে উত্তাপ জারি রয়েছে।

এদিকে, রাজনাথের দাবি ভারতের বিবেক উদার। সব ধর্মের মানুষ এখানে সৌভাতৃত্ববোধে আবদ্ধ। দেশের প্রতিবেশিদের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বিশ্বাসী ভারত। কিন্তু কোনও প্রতিবেশী যদি খারাপ ব্যবহার করে, তবে তার যোগ্য জবাব দিতে তৈরি ভারত। রাজনাথ বলেন যুদ্ধ না চাইলেও, ভারত নিজের সীমান্ত রক্ষার জন্য যে কোন পদক্ষেপ নিতে তৈরি। তাই যদি কোনও সুপারপাওয়ারও প্রতিপক্ষ হয়, তবু পিছু হঠার প্রশ্ন নেই। সেই সুপার পাওয়ারদের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে দেশের সেনারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।