স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বহিরাগতর পর এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ‘বাংলার পর্যটক’ বলে কটাক্ষ করল তৃণমূল।মঙ্গলবার সকালে টুইটারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আক্রমণ করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি লেখেন, “মোদী-শাহর ট্যুরিস্ট গ্যাং বাংলায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, ওদের উচিত আগে বাংলার পাওনা মিটিয়ে দেওয়া।”

টুইটারে ডেরেকের দাবি, সর্বশিক্ষা অভিযানে ১৪ হাজার ৫২০ কোটি, সমগ্র শিক্ষা মিশনে ৯৭০ কোটি, মিড ডে মিলে ২৩৩ কোটি, স্বচ্ছ ভারত মিশনে ২৭৫ কোটি, মনরেগায় ৬৩১ কোটি, আমরুতে ২৫৪ কোটি, ছিটমহল বিনিময় বাবদ ১৮৮ কোটি, বিআরজিএফ ২ হাজার ৩৩০ কোটি, বেসিক গ্রান্ট ৪৩৮ কোটি-সহ একাধিক খাতে মোট ৮৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা পাওনা বকেয়া রয়েছে বাংলার।

রাজ্যের বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার জন্য প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্রকে চাপ দিচ্ছে শাসক দল তৃণমূল। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকেও ফের রাজ্যের পাওনা নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সাহায্য নিয়ে তোপ দাগেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, জিএসটির বকেয়া টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র।

তিনি এদিন ভিডিও কনফারেন্সে বলেন, “কেন্দ্রের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য মেলেনি। জিএসটি বাবদ রাজ্য কেন্দ্রের কাছে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা পায়। সেই টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। এদিকে বিভিন্ন খাতে রাজ্যের খরচ বেড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য চার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে দিয়েছে মাত্র ১৯৩ কোটি টাকা।”কিছুদিন আগেই বকেয়া পাওনাগণ্ডা মেটানোর জন্য নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লিতে কৃষকদের বিক্ষোভ নিয়ে সোমবার মোদী-শাহকে কটাক্ষ করেছিলেন ডেরেক। তাঁর বক্তব্য, মোদীজি ও অমিত শাহ কথা দিয়েছিলেন ২০২২-এর মধ্যে কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ করে দেবেন। কিন্তু পরিস্থিতি যা তাতে অন্তত ২০২৮-এর মধ্য়েও সেটা হবে না। এ দিকে বাস্তব হল, গত ন’বছরের মধ্যে দিদির বাংলায় কৃষকদের রোজগার আগের চেয়ে তিনগুণ বেড়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।