কলকাতা: অমিত শাহকে পাল্টা ডেরেক ও’ব্রায়েনের। একটি সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলে সাকষাৎকার দিতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। তারই প্রেক্ষিতে এবার পাল্টা জবাব তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদের। টুইটে ডেরেক লিখেছেন, ‘‘অমিত শাহের উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের দিকে নজর দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক হত্যা অমিত শাহ ভালোই বোঝেন।’’

একুশের ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ কয়েকগুণ চড়িয়ে দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে এবার সরাসরি সওয়াল করেছেন বিজেপির এই শীর্ষনেতা। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ বিরোধীদের।

বিজেপির বাংলার নেতাদের একাংশের দাবি, এরাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রয়োজন। রাজ্য বিজেপির কয়েকজনের সেই দাবিকেই এবার খুল্লমখুল্লা সমর্থন অমিত শাহের।

ফাইল ছবি

সর্বভারতীয় নিউজ চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘সঙ্গত কারণেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন বিজেপি নেতারা। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার জেলায়-জেলায় বোমা কারখানার হদিশ মিলছে।’’

পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির উপর অত্যাচার করছে শাসক তৃণমূল, এমনই অভিযোগ অমিত শাহের।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ভারতের আর কোনও রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের মতো পরিস্থিতি নেই। বাংলায় বিরোধীদের উপর অনবরত আক্রমণ চলছে। বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হচ্ছে।’’ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পালাবদল হবেই, প্রত্যয়ী অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলায় বদল আসবে। তৃণমূলকে বাংলা থেকে সরানোই প্রধান লক্ষ্য।’’

অমিত শাহকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। টুইটে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে ডেরেক লিখেছেন, ‘‘এখন টিবি, ক্যানসারে মৃত্যুকেও রাজনৈতিক খুন বলে চালানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। বাংলায় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় দায়বদ্ধ তৃণমূল। অমিত শাহের উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের দিকে নজর দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক হত্যা অমিত শাহ ভালোই বোঝেন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।