স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা: একদিকে দীর্ঘ লকডাউন এবং অন্যদিকে কালবৈশাখীর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার ধান,পান,সব্জীচাষ।এমতাবস্থায় কৃষিজীবী মানুষদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ সহ একাধিক দাবিতে হাওড়া জেলার ১৪ টি ব্লকে প্রতিনিধিমূলক ডেপুটেশন দিল বামপন্থী কৃষক সংগঠনগুলি।

 

ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে জেলার প্রায় ২৫টি জায়গায় প্রতীকী বিক্ষোভ দেখান সারা ভারত কিষাণ সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সদস্যরা।সূত্রের খবর,১৪ টি ব্লকের মধ্যে বাগনান-১,বাগনান-২,উলুবেড়িয়া-১,আমতা-১,উদয়নারায়ণপুর ও বালি-জগাছা ব্লক ডেপুটেশন নিতে অস্বীকার করলে ই-মেল মারফত ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।সংগঠন সূত্রে জানানো হয়েছে,কৃষিকাজে ক্ষতিপূরণ,পরিযায়ী শ্রমিকদের যথা সময়ে ফিরিয়ে আনা,গ্রামীণ চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি সহ বিভিন্ন দাবিতে এই ডেপুটেশন।

 

এদিকে দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তৃতীয় দফায় লকডাউনের মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে সোমবার অনলাইনে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। পূর্ব নির্ধারিত ওই বৈঠকের পরেই ১৭ মে’র পর আরও এক দফায় লকডাউন বাড়ানোর কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

 

সামনের সপ্তাহে ১৭ মে দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগে করোনা নিয়ে রূপরেখা ঠিক করতেই মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মোদী। সকলের মতামত জানতে চান। মুখ্যমন্ত্রীদের বড় অংশই কিন্তু লকডাউন বাড়িয়ে যাওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেন। প্রধানমন্ত্রী রাজ্যগুলির কাছে লকডাউন বিষয়ে সাজেশান লিখিত আকারে চেয়েছেন।

 

সরকারি সূত্রে খবর, তৃতীয় দফায় দেশজুড়ে সন্ধে ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কারফিউ আগের মতোই বলবত্‍ থাকবে। সংক্রমণের প্রকোপ রুখতে আর কী কী করা যায়, কোন কোন ক্ষেত্রে কী ভাবে ছাড়া দেওয়া যায়, সে বিষয়েই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে লিখিত আকারে পরামর্শ চান।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প