ইংরেজবাজার: পুরসভার বিরুদ্ধে ভাতা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে এবার সরব হলেন ইংরেজবাজার বিধানসভার নব নির্বাচিত জোটের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ৷ পুরসভার বিরুদ্ধে ভাতা বন্ধ করার অভিযোগ তুলে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়৷

অভিযোগ ওঠে, ইংরেজবাজার পুরসভা পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীর এলাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন ভাতা আটকে রাখাছেন৷ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আজ, বৃহস্পতিবার ইংরেজবাজার পুরসভার পুরপ্রধানের কাছে নীহাররঞ্জন ঘোষের নেতৃতে এলাকার শ’তিনেক স্থানীয় বাসিন্দারা একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়। অভিযোগ, এলাকার প্রায় ২০ হাজার দুস্থ মানুষের ভাতা আটকে রেখেছে পুরসভা৷

এদিন ইংরেজবাজার বিধানসভার নব নির্বাচিত বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, ‘‘পুরসভার পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দুবাবু ২৯টি ওয়ার্ডের দীর্ঘদিন ধরে ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বয়স্ক ভাতা,বিধবাভাতা, অক্ষম-ভাতা গত ৭মাস ধরে আটকে রেখেছেন৷ প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই পরিষেবা থেকে বঞ্চিত৷’’ এদিন তিনি সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘‘তৃণমূলের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা বিধানসভায় আওয়াজ তুলবো।’’

জোটের বিধায়কের অভিযোগের পর কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, ‘‘ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বন্ধ করা হয়েছিল। বাম কাউন্সিলার আগেও মৃত ও ষাট বছরের কম ব্যাক্তিদের ভাতার জন্য আমাকে জানিয়ে ছিলেন। আমি খতিয়ে যখন দেখে ভাতা পাওয়ার অযোগ্যদের নাম বাদ দিয়েছি৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।