ডায়মন্ডহারবার: নিম্নচাপ এবং সামুদ্রিক ঝড়ো হাওয়া মুশকিলে ফেলে দিল মৎস্যজীবীদের। সতর্ক বার্তা পেয়ে তড়িঘড়ি তাদের ফিরতে হয়েছে। ফলে যে পরিমাণ ইলিশ জালবন্দি হবে আশা নিয়ে সমুদ্রের মাছ ধরতে বের হয়েছিল তা ধাক্কা খেয়েছে। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে বের হলেও বেশিরভাগ এই সমস্ত মৎস্যজীবী ও তাদের ট্রলার রবিবার বিকেলে ফিরে এসেছে দক্ষিণ ২৪পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন ঘাটে।

অনেক আশা নিয়ে মাঝ সমুদ্রের মাছ ধরতে বের হয়ে এবার বারবার ফিরে আসতে হওয়ায় হতাশ মৎস্যজীবীরা। খুব কম সময় পাওয়ায়, এবার ফিরে আসতে হয়েছে খুব কম পরিমাণে ইলিশ এবং অন্যান্য মাছ নিয়ে।

আবহাওয়া অফিস আগাম সতর্কতা জারি করায়,মৎস্য দফতর মৎস্যজীবীদের নির্দেশ দিয়েছিল সমুদ্রে গেলেও রবিবারের মধ্যে যেন ফিরে আসে। ২০ সেপ্টেম্বরের সন্ধের আগে ফিরে আসতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি ২২সেপ্টেম্বর অবধি মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়।

পাঁচ ছয়দিন আগে যে সব ট্রলারগুলি সমুদ্রে গিয়েছিল সেগুলি বিভিন্ন ঘাটে ফিরেছে। কিন্তু যেগুলি দুদিন আগে বেরিয়ে ছিল সেগুলি ঘাটে ফিরে আসতে পারেনি । ফলে সেই সব ট্রলারগুলি আশ্রয় নিয়েছে খাড়িতে। তবে তাদের সংখ্যা হাতেগোনা।

ইলিশের মরশুমে এভাবে তাদের মাছ ধরার সময় একের পর এক নিম্নচাপ মৎস্যজীবীদের দুশ্চিন্তায় ফেলছে। অনেকেরই কপালে ভাঁজ পড়ছে কেমন করে মহাজনের টাকা শোধ করবে তা ভেবে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।