নয়াদিল্লি : এই সরকারি প্রকল্প সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের মুখে হাসি ফোটাবে। অটল পেনশন যোজনায় মোদী সরকারের প্রকল্প দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদেরও ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে। ভবিষ্যতের কথা ভেবে বিভিন্ন প্রকল্পে সঞ্চয় করলেও অনেকেই ভরসা করছে অটল পেনশন যোজনায়।

প্রতিদিন মাত্র সাত টাকা করে জমালেই মিলবে মাসে পাঁচ হাজার টাকা পেনশন। অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য এই ভবিষ্যত সুরক্ষা যোজনা নিয়ে এসেছে কেন্দ্র সরকার। এই যোজনায় এক হাজার থেকে ৫ হাজার পর্যন্ত পেনশন পাওয়া যাবে। ৬০ বছর বয়েসের পর থেকে মিলবে পেনশন।

পেনশন গ্রাহকের মৃত্যু হলেও, তার স্ত্রী বা স্বামী এই টাকা পাবেন। দুজনেরই মৃত্যু হলে নমিনিকে দেওয়া হবে পুরো টাকা। এই স্কিমের অধীনে প্রতিমাসে এক হাজার টাকা, ২,০০০, ৩,০০০, ৪০০০ বা ৫০০০ টাকার পেনশন পেতে পারেন। এই প্রকল্পের আওতায় কোনও ব্যক্তি যদি দিনে ১০ টাকা সাশ্রয় করে তবে ৬০ বছর পরে তিনি মাসে পাঁচ হাজার টাকা অর্থাত্ বার্ষিক ৬০ টাকার পেনশনের অধিকারী হতে পারেন।

অটল পেনশন যোজনায় সরকার ন্যূনতম পেনশনের নিশ্চয়তা দেয়। যদি পেনশনের প্রকৃত রিটার্ন কমেও যায়, তবে সরকার সেই ঘাটতি পূরণে দায়বদ্ধ থাকে। ১৮ বছর বয়েস থেকেই এই স্কিমের আওতায় আসতে পারেন গ্রাহক। সেক্ষেত্রে মাসে ২১০ টাকা করে জমা করতে হবে, অর্থাৎ দিনে সাত টাকা করে রাখলেই ৬০ বছর বয়সের পর থেকে ৫০০০ টাকা করে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাবেন।

ইতিমধ্যেই ২কোটিরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় নিজের নাম নথিভুক্ত করেছেন। মোট নথিভুক্তকরণের সংখ্যা হল ২,২৩,৫৪,০২৮। অটল পেনশন যোজনার আওতায় পেনশনের সর্বাধিক সীমা প্রতিমাসে ৫০০০ টাকা। কিন্তু এটি প্রতিমাসে ১০,০০০ করে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

পিএফআরডিএ অটল পেনশন যোজনার আওতায় পেনশন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। পেনশনের সুবিধা নিতে কোনও ব্যাংক বা পোস্ট অফিসে অবশ্যই একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

পেনশনধারীর মৃত্যুর পরে পেনশনটি তার স্ত্রীকে দেওয়া হবে। উভয়ের মৃত্যুর পরে মনোনীত ব্যক্তি টাকা পাবেন। এর আওতায় ট্যাক্স ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। একজন সদস্যের নামে মাত্র ১ টি অ্যাকাউন্ট খোলা যেতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ