স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : রাতের কলকাতা ঢাকল ঘন কুয়াশায়। শীতে কুয়াশা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কুয়াশার গভীরতা একটু বেশিই ছিল। সামনে থেকে দেখলে অস্বাভাবিক বললে ভুল হবে না। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী রাত সাড়ে ৯টায় ৫০০ মিটার দূরের জিনিস অস্পষ্ট ছিল। রাত সাড়ে দশটার পর কুয়াশা আরও ব্যাপক আকার ধারন করে। ২০০ মিটার আগের জিনিস স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। প্রত্যেকটি গাড়িকেই ফগ লাইট জালিয়ে যেতে হচ্ছিল।

ঘন কুয়াশা যে হবে তা সন্ধ্যা থেকেই বঝা যাচ্ছিল। রাস্তায় সামনের জিনিস কিছুটা অস্পষ্ট হয়ে গিয়ছিল তখনই। তবে স্পস্ট ছিল রাতের আকাশ। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন সকালে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি থামলেও বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রচুর। রাতে তাপমাত্রা নামতেই উপরের মেঘ নিয়ে হুরমুরিয়ে নীচে নেমে আসে। তারই ফলেই ঘন কুয়াশা। আজ রাতের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক লাফে ৪ ডিগ্রি নেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালেও যে তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাতেই তা পাঁচ ডিগ্রি নেমেছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন ১৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি বেশি। আলিপুরে ৫.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে ঝঞ্ঝা কেটে গেলে ফের নামবে পারদ। ঠাণ্ডা ফের কাঁপাতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.