ছবি: প্রতীকী

কলকাতা: করোনার গ্রাসে বাংলা। ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলার প্রতিটি জেলাতে কার্যত একই ছবি। আতঙ্ক। একগুচ্ছ নিয়ম, সতর্কতা দেওয়া হলেও মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। করোনা নিয়ে যখন আতঙ্ক সর্বত্র। সেই সময় কলকাতায় হানা দিল ডেঙ্গু। খোদ কলকাতায় করোনা আক্রান্ত দুজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। একে করোনা অন্যদিকে ফের ডেঙ্গুর থাবা, চাপ বাড়ছে রাজ্যবাসীর।

জানা যাচ্ছে, মধ্য কলকাতার মিডলটন স্ট্রিট এর বাসিন্দা এক ৭৮ বছর বয়সি এক বৃদ্ধ গত কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিলেন। জ্বরের সঙ্গে গোটা শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা, সঙ্গে লাগাতার বমি। প্রথমেই করোনা সন্দেহ করা হয়। রাতারাতি মিন্টো পার্কের বেসরকারি হাসপাতালের বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ভর্তির সঙ্গে সঙ্গেই করোনা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু তাতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।

এরপরই সেখানকার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ওই বৃদ্ধের ডেঙ্গি পরীক্ষা এলাইজা টেস্ট করে। আর সেখানেই ডেঙ্গির অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়। প্রথমে ডেঙ্গি আক্রান্ত বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আই সি ইউ তে ভর্তি করা হয়। তবে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

অন্যদিকে, বালিগঞ্জের বাসিন্দা এক ১৩ বছরের কিশোরের শরীরেও ডেঙ্গুর নমুনা পাওয়া গিয়েছে। তীব্র মাথা ব্যাথা, সঙ্গে জ্বর। ওই কিশোরকে পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথে ভর্তি করা হয়। ভর্তির সঙ্গে সঙ্গেই ওই কিশোরকেও করোনার পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরেই ডেঙ্গুর পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে জানা যাচ্ছে।

ডেঙ্গুর খবরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই সমস্ত এলাকায়। তবে পুরসভার তরফে রাতারাতি এই সমস্ত জায়গায় মশা মারার স্প্রে, ব্লিচিং দেওয়া হয়েছে। আমফানের কারণে শহরে বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। এরই মধ্যে ফের বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিসের যা পূর্বাভাস, তাতে বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শহরে আরও জল জমার আশঙ্কা। আর তাতেই ডেঙ্গুর চাষ বলে মনে করা হয়।

যদিও পুরসভার তরফে দ্রুত নিকাশির ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ছাদে কিংবা, বাড়ির কোথাও জমা জল বিপদ আরও বাড়িয়ে দেয়, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। আর সেই কারণেই সতর্ক থাকতে আবেদন ডাক্তারদের।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও