বর্ধমান:  পোস্টাল বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল ডাকটিকিট সংগ্রহের প্রদর্শনী৷ বর্ধমান-কলকাতা সহ কয়েকটি জেলার মোট ১২জন এই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন৷ ৩২টি বোর্ডে ১৬টি করে ফোল্ডারে দুষ্প্রাপ্য ডাকটিকিট, খাম, পোস্টকার্ডের প্রদর্শনী করা হয়েছে৷

শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহররে সংস্কৃতি লোকমঞ্চে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল (বেঙ্গল সার্কেল) অরুন্ধতী ঘোষ৷ হাজির ছিলেন পোস্টমাস্টার জেনারেল (দক্ষিণবঙ্গ) সঞ্জীব রঞ্জন, বর্ধমান জেলার সুপার বেবি লাহিড়ী, ডাকটিকিট সংগ্রহের বিশেষজ্ঞ সনত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ৷

আরও পড়ুন- যৌথভাবে ডাকটিকিট বের করছে ভারত-কানাডা

এদিন অরুন্ধতীদেবী বলেন, ‘‘আধুনিক প্রযুক্তির সময়ে চিঠি লেখার অভ্যাস কমে গেছে৷ পোস্টকার্ড, খাম,ইংল্যান্ড লেটার প্রভৃতি বিক্রির হারও কমে গেছে প্রায় ৫০ শতাংশ৷ যদিও বাণিজ্যিকভাবে চিঠিপত্র তথা পার্সেল ইত্যাদি আদান প্রদান বেড়েছে প্রায় ৩৮শতাংশ৷ স্বাভাবিকভাবেই পোস্টাল বিভাগের আয়ও বেড়েছে৷ এদিন তিনি, অভিভাবকদের কাছে শিশুদের মধ্যে চিঠি লেখার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান৷

আরও পড়ুন- মাদারের জন্য স্পেস্যাল ডাকটিকিট ভারতীয় ডাক বিভাগের 

বিশেষ করে তিনি জোর দেন, চিঠি লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শিশুদের বানানবোধ তৈরি হয়৷ একটা রুচিশীল সামাজিক মনোভাব গড়ে ওঠে৷ এদিন এই দু’দিনব্যাপী প্রদর্শনী ছাড়াও বর্ধমানের ৩০টি স্কুলকে নিয়ে দুটি বিভাগে অঙ্কন প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়৷ মাই স্ট্যাম্প, পিএলআই, আরপিএলআই প্রভৃতি প্রকল্পের জন্য আলাদা কাউন্টারও করা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.