প্রতীতি ঘোষ, হিঙলগঞ্জ: ফের জনবহুল এলাকায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি নিয়ে উত্তেজনা। এবার উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের মামুদপূর হাই স্কুলে ‘কোয়ারেন্টাইন সেন্টার” তৈরীর প্রতিবাদ করে স্কুল গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা।

দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে দলে দলে ফিরে আসছেন এই রাজ্য থেকে কাজে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকেরা। ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের ১৪ দিন আলাদা রাখার জন্য জেলার বিভিন্ন স্কুল গুলিতে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

সেই অনুযায়ী উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমা অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জ মামুদপুর হাইস্কুল টিকে ভিনরাজ্য থেকে ফেরত আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছিল।

আর সেই খবর গ্রামবাসীদের কাছে পৌঁছতেই বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের রাখা চলবে না দাবি জানিয়ে এদিন স্কুলের গেটে তালা দিয়ে ও বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা।

গ্রামবাসীদের দাবি, তাঁদের গ্রামের স্কুলটিতে ভিন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের এনে রাখলে গোষ্ঠী সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই ওই স্কুলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার খোলা যাবে না।

গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসেন হিঙ্গালগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা মির্ধা ও পুলিশ প্রশাসন। তারা দীর্ঘক্ষণ গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন কিন্তু কোন লাভ হয়নি।অবশেষে গ্রামবাসীদের দাবির জেরে পিছু হটে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় মামূদপুর স্কুলে নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাখা হবে হিঙ্গলগঞ্জ কিষান মান্ডিতে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.