স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমল চট্টোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে তাঁর আবেদন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের শীর্ষ আদালত হস্তক্ষেপ করুক।

এই জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্র-রাজ্য সরকার এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষকে যাতে ভোট দানের ক্ষেত্রে কোন ভয়-ভীতির পরিবেশের মধ্যে পড়তে যাতে না হয় সেই কারণেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি৷ আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি রয়েছে৷

এদিকে, আজ বিকেল সাড়ে চারটেয় সাংবাদিক বৈঠক করে ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বাংলায় ক’দফায় ভোট হবে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে ১০ দফায় ভোটের দাবি করা হয়েছিল।সূত্রের খবর করোনা পরিস্থিতি ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে সাত থেকে ৯ দফায় ভোট হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কমিশন সূত্র খবর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অনেকটাই সংকট অনেকটাই মিটে গিয়েছে। সূত্রের খবর মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকেই ভোট হতে পারে।পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভোট হবে কেরল,তামিলনাড়ু, পণ্ডিচেরী ও অসমে। এই পাঁচ রাজ্যের ভোটের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে বিজেপি। তবে মূল টার্গেট যে বাংলা তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

আসন্ন বিধানসভা ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে তৎপর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা নিজে এব্যাপারে জোরদজার তৎপরতা নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে গেলে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা সাফ জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ভোট করতে গেলে প্রথমেই আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। প্রয়োজনে আরও কড়া অবস্থান নিতে হবে প্রশাসনকে।

রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে কমিশন। সব জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অবাধ ভোট করতে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেব্যাপারেও বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।