নয়াদিল্লি: তিন বছরের সম্পর্ক ভেঙে দিতে চেয়েছিল প্রেমিক৷ ফিরিয়ে দেয় বিয়ের প্রস্তাবও৷ যা মেনে নিতে পারেনি প্রেমিকা৷ প্রতিশোধ নিতে প্রেমিকের মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে সে৷ পরে ওই তরুণের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জেরায় সে অপরাধ কবুল করেছে৷

ঘটনাটি ১১ জুন রাজধানী দিল্লির বিকাশপুর এলাকার৷ সেসময় প্রেমিকের সঙ্গে বাইকেই ছিল ওই তরুণী৷ প্রেমিকের মাথায় হেলমেট পরা ছিল৷ ‘ঠিকমতো স্পর্শ করতে পারছে না বলে’ প্রেমিককে হেলমেট খোলার আবদার করে৷ হেলমেট খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই চোখ,মুখ, গলা, ঘাড়ে তীব্র জ্বলন অনুভব করে ওই তরুণ৷ পরে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি করা হয় প্রেমিককে৷

পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালে পৌঁছে তারা দেখেন ওই মহিলার আঘাত সামান্য৷ অপরদিকে তরুণের মুখ, গলার অনেকটাই পুড়ে গিয়েছে৷ পুলিশের কাছে প্রথমে মহিলা জানায়, তারা বাইকে করে বাড়ি ফিরছিল৷ সেই সময় তাদের উপর অ্যাসিড হামলা হয়৷ মহিলার এই দাবির পর ধন্দ আরও বাড়ে৷ বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও হামলাকারীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না৷ পরে হাসপাতালে তরুণের হুঁশ ফিরলে সব পরিস্কার হয়ে যায় তদন্তকারীদের কাছে৷ তাঁর বয়ান রেকর্ড করার পরই তরুণীকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ জেরায় প্রেমিকের মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার কথা স্বীকার করে৷

পরে তদন্তকারী এক অফিসার জানান, ওই যুগল তিন বছর ধরে সম্পর্কে ছিল৷ সম্প্রতি ছেলেটি জানায়, সে আর সম্পর্কটি বজায় রাখতে চায় না৷ ওদিকে তরুণকে বিয়ে করার জেদ ধরে বসেছিল তরুণী৷ তাই প্রেমিকের মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার ফন্দি করে৷ যেদিন তারা দু’জনে বেরিয়েছিল তরুণীর সঙ্গে অ্যাসিডের বোতলটি ছিল৷ সুযোগ বুঝে তারপর প্রেমিকের মুখে ছুঁড়ে মারে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।