নয়াদিল্লি: চলতি বছরেই দেশের মাটিতে হওয়ার কথা ছিল অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপ৷ কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত করে দেওয়া হয়৷ আগামী বছর এই বিশ্বকাপ হবে বলে ফিফা’র জানানো হয়েছে আগেই৷

ফিফার মহিলা প্রতিযোগিতার প্রধান সারা বুথ বলেন, ২০২১ সালে অনূর্ধ্ব -১৭ মহিলা বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতীয় মেয়েদের খেলাধুলার ভাবমূর্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দিল্লি আয়োজিত একটি ই-শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে বুথ বলেন, দিল্লি বিশ্বকাপের হোস্টিংয়ের “ইতিবাচক প্রভাব” বোধ করবে৷ মহিলা ফুটবলের পরিকাঠামো উন্নয়নে জাতীয় ফেডারেশনের সঙ্গে রাজ্য সমিতির সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে৷

ভারত ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ পুরুষদের বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করেছিল। ভারতীয় খেলোয়াড় ডালিমা ছিব্বার বলেন একটি “উন্নত সংস্কৃতি” মহিলা ফুটবলে উন্নতি করতে পারে এবং পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি ভালো দেখাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্লাব স্তরের পাশাপাশি স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে মেয়েদের ফুটবলের সংস্কৃতি বিকাশ ঘটানো দরকার। গত কয়েক বছরে দিল্লিতে ফুটবলে মেয়েদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ নতুন প্রতিযোগিতায় আরও বেশি মেয়েকে ফুটবল খেলতে উত্সাহিত করা হবে৷ আমি যখন দিল্লিতে ফুটবল খেলতে শুরু করি তখন এটি ছিল না৷’

দিল্লির গোল্ডেন লিগকে আই-ওপেনার হিসেবে দেখছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন৷ সারা পাইলট বলেন, ‘উন্নত ফোকাস এবং ফুটবল দিল্লির তত্পর্যতা অন্যান্য রাজ্য সংস্থাগুলি গ্রহণ করা উচিত। মহিলাদের ফুটবল কেবল তখনই বিকশিত হতে পারে, যখন পুরুষদের মতো “সমান সুযোগ” পাওয়া যায়৷’

সুইডেনের অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় কোচ ইয়োভনে একরোথ বলেন, এই স্তরে খেলাই একমাত্র এগিয়ে যাওয়ার পথ। প্রশাসন এবং কোচিংয়ে উভয় ক্ষেত্রেই নিজের জন্য জায়গা তৈরি করার দরকার ছিল বলেও জানান দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা জাতীয় ফুটবল দলের ব্যবস্থাপক লরেন ডানকান৷ তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা ফুটবলের অবস্থা ভারতের মতোই একই রকম। খেলোয়াড়দের আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ দেওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসন ও কোচিংয়ে আরও মহিলা প্রয়োজন৷’

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা