নয়াদিল্লি: দিল্লি থেকে নয়ডা হয়ে বারাণসী অবধি প্রস্তাবিত বুলেট ট্রেন গ্রেটার নয়ডা থেকে আগ্রা পর্যন্ত যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে চালানোর প্রস্তুতি চলছে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে দুই পাশের রাস্তার মাঝখানে শূন্য জায়গায় বুলেট ট্রেনের জন্য হাই-স্পিড রেল করিডোর তৈরি করা যেতে পারে। এ জন্য জরিপের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

তথ্য জানাচ্ছে, দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার গত সপ্তাহে জরিপ শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, এই প্রকল্পের জন্য বিস্তারিত প্রোজেক্ট রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে এসে গেছে। নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে একটি হাই স্পিড রেল স্টেশন তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন – ভুটান-মালদ্বীপের পর নেপাল-বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিল ভারতের ভ্যাকসিন

প্রকল্পের খরচ কমবে

যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের দুই পাশের রাস্তার মাঝখানে শূন্য জায়গায় বুলেট ট্রেনের জন্য হাই-স্পিড রেল করিডোর তৈরি করার জন্য ১৬৫ কিমি দূরত্বে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। এটি প্রকল্পের ব্যয়ও হ্রাস করবে। এর সঙ্গে সময়ও সাশ্রয় হবে এবং শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।

আকাশপথে সমীক্ষায় ছবিটি প্রকাশ্যে আসবে

আকাশপথে বিমানের মাধ্যমে জরিপ করে দেখা হবে যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাঝের অংশে নাকি এর সমান্তরালে নির্মিত হবে হাই-স্পিড রেল করিডোর। উল্লেখ্য, গৌতম বুদ্ধ নগর জেলা হাই-স্পিড রেলের সুবিধা পেতে চলেছে।

দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত কেবল মাত্র গৌতম বুদ্ধ নগরি এমন জেলা যেখানে দুটি স্টেশন হবে। প্রথম স্টেশনটি হবে নয়ডা শহরে, দ্বিতীয় স্টেশনটি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালের বাইরে।

আরও পড়ুন – ৬ বার প্লাজমা দান করে রেকর্ড গড়লেন ‘গরিবের ডাক্তার’ ফুয়াদ হালিম

কোথায় কোথায় স্টেশন হবে?

দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত হাই স্পিড রেলের স্টেশনগুলি নয়ডা, নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মথুরা, আগ্রা, ইটাওয়াহ, লখনউ, রায় বরেলি, অযোধ্যা, প্রয়াগরাজ ও ভদোহিতে নির্মিত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.