নয়াদিল্লি : প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজধানী দিল্লি উত্তাল হয়ে ওঠার পিছনে কাদের হাত ছিল, কারাই বা প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে ছিল এই হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তা বিচার করতে আসরে নামল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ বা অপরাধদমন শাখা। অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন ওই দিনের ঘটনার সব সিসিটিভি ফুটেজ। দেখা হচ্ছে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ, মোবাইল ফুটেজ। বিভিন্ন সূত্র মারফত খবর নেওয়া চেষ্টা চলছে কৃষক বিক্ষোভের বকলমে কারা হামলা চালিয়েছিল।

তদন্তকারী আধিকারিকরা যোগাড় করেছেন বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। নাংগোই, লাল কেল্লা, মধ্য দিল্লি ও মুকারবা চকের রাস্তাগুলির ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার কাজ চলছে বলে খবর। অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকরা সিট গঠন করতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

দিল্লি পুলিশের সঙ্গে যৌথ ভাবে আপাতত ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও স্পেশাল সেলের অফিসাররা কাজ করছেন। দিল্লি পুলিশের নির্ধারিত রুট দিয়ে কেন কৃষকদের মিছিল গেল না, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে তাও। এই সিদ্ধান্তের পিছনে কার মদত ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতের দিকে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই অতিরিক্ত আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়৷

এদিনের বৈঠকে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন অমিত শাহ। এই বিক্ষোভের সঙ্গে কারা কারা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে, তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশকে। দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ঠিক কত পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তা নির্দিষ্ট ভাবে জানানো হয়নি। তবে দিল্লিতে বর্তমানে ৪৫০০ জন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন রয়েছেন। আরও ১৫০০-২০০০ অর্থাৎ ১৫ থেকে ২০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।