নয়াদিল্লি: বাসে চেপে ভ্রমণ করতে অভ্যস্ত অনেকেই। কলকাতা থেকে দিঘা কিংবা পুরী, এমনকি বাংলাদেশে যাওয়ার বাসও পাওয়া যায়। আরামদায়ক বাস হলে অনেক দূরের রাস্তাই চষে ফেলা যায় বাসে। তাই বলে লন্ডন!

হ্যাঁ দিল্লি থেকে সোজা লন্ডন যাওয়া যাবে বাসে চেপে। এমনই এক যুগান্তকারী অভিজ্ঞতার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ভারতের এক সংস্থা। ইতিমধ্যেই ঠিক হয়ে গিয়েছে, কোন পথে যাবে সেই বাস। এটিই হবে বিশ্বের দীর্ঘতম বাসযাত্রা।

 

গুরগাঁওয়ের এক পর্যটন সংস্থা এই উস্যোগ নিয়েছে। ইনস্টাগ্রামে সেই পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এই সংস্থা। আগামী বছরেই সেই বাসযাত্রা হবে বলে স্থির করেছে ওই সংস্থা।

২০,০০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে যাবে সেই বাস। পথে পড়বে ১৮টি দেশ। ৭০ দিন সময় লাগবে পুরো যাত্রাপথ পেরোতে।

সংস্থার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথমেই পড়বে মায়ানমার। সেখে একাধিক মনোরম প্যাগোডা ঘুরে দেখবেন পর্যটকরা। চেংড়ুতে দেখা হবে জায়ান্ট পান্ডাদের সঙ্গে। চিনে দেখতে পারেন গ্রেট ওয়াল।

বুখারা, তাসকেন্ট, উজবেকিস্তানের মত একাধিক ঐতিহাসিক শহর পেরিয়ে এগিয়ে যাবে সেই বাস। এছাড়াও লন্ড পৌঁছনোর আগে পড়তে মস্কো, প্রাগ, ব্রাসেলসের মত শহর। ফ্রাংকফুর্ট পেরিয়ে পৌঁছনো যাবে লন্ডনে।

লন্ডনে পৌঁছনোর পর ফের একই পথে বাসটি ফিরবে ভারতে। ইতিমধ্যেই রুট ম্যাপের ছবিও প্রকাশ করেছে ওই সংস্থা।

সংস্থার ওয়েবসাইট www.bustolondon.in-এ এই সংক্রান্ত সব তথ্য দেওয়া আছে। ২০২১-এর মে মাসে এই যাত্রা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

এর আগে ১৯৬০ সালে কলকাতা থেকে লন্ডন পর্যন্ত একটি বাস চলত। সেটিই ছিল বিশ্বের দীর্ঘতম বাস যাত্রার রুট। বাসটির নাম ছিল অ্যালবার্ট। বার বাসের যাত্রাকে বলা হত অ্যালবার্ট ট্যুর। বাসে চেপে কলকাতা থেকে লন্ড থেকে খরচ হত ১৪৫ ইউরো অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ১৩৫১৮ টাকা। যা তখনকার দিনে অনকেটাই বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।