নয়াদিল্লি: এবার অন্যান্য রাজ্যের মতো দিল্লিরও নিজস্ব এডুকেশন বোর্ড থাকবে। শনিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল একথা জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বোর্ডের নাম হবে দিল্লি বোর্ড অফ স্কুল এডুকেশন।

দিল্লিতে বর্তমানে ১ হাজার সরকারি স্কুল ও ১ হাজার ৭০০টি প্রাইভেট স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে সমস্ত সরকারি স্কুল ও বেশিরভার প্রাইভেট স্কুল সিবিএসই-র আওতাভুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল এদিন জানিয়েছেন ২০ থেকে ২৫টি সরকারি স্কুল নতুন এই বোর্ডের আওতায় আসবে। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পরিবর্তন হবে বলে জানান তিনি। ওই স্কুলগুলির সিবিএসই অনুমোদন ছেঁটে ফেলা হবে। যে সব স্কুলগুলি নতুন বোর্ডের আওতায় আনা হবে সেই স্কুলগুলির প্রিন্সিপাল, শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

নতুন এই বোর্ড সম্পর্কে কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে পুঁথিগত বিদ্যার দিকে জোর দেওয়া হবে না। এখানে কোনও বিষয় বোঝা ও পার্সোনালিটি ডেভলপমেন্টের উপর জোর দেওয়া হবে। তিনি আশা করছেন আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে সমস্ত স্কুলই দিল্লি বোর্ড অফ স্কুল এডুকেশনের আওতায় আসবে। গত বছর জুলাই মাসে দিল্লি সরকার রাজ্যের এডুকেশন বোর্ড ও পাঠ্যক্রম সংস্কার নিয়ে কাজ শুরু করেছিল। দুটি প্যানেল তৈরি করে কাজ শুরু করে তারা। এবার সম্ভবত গুটিয়ে এসেছে কাজ। আর সেই কারণেই দিল্লি বোর্ড অফ স্কুল এডুকেশন শুরু করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী অবরিন্দ কেজরিওয়াল।

আম আদমি পার্টির সরকার নতুন বোর্ড ও তার পরিকল্পনার কথা দিল্লির অ্যানুয়াল বাজেটে ঘোষণা করেছে। ২০১৯ সালে উপ মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বলেছিলেন নতুন এই বোর্ড সিবিএসইর রিপ্লেসমেন্ট নয়। বরং এটি পরের জেনারেশনের কথা ভেবে তৈরি একটি বোর্ড। এটি জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (JEE) ও ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NEET)-এর মতো পরীক্ষায় পড়ুয়াদের সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.