নয়াদিল্লি: ভারতীয় বিজনেস টাইকুনদের মধ্যে অন্যতম একটি নাম আনন্দ মহিন্দ্রা। বিগত কয়েক দশক ধরে একার দক্ষতায় মহিন্দ্রাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। আজ ভারতের বাজারে ফোর-হুইলার কোম্পানি হিসেবে আমজনতার মধ্যে বাড়তি সমাদর পেয়ে থাকে মাহিন্দ্রা। তবে কেবল ব্যবসাই নয়, বিভিন্ন সামাজিক কাজেও সমানভাবে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন মহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান।

সম্প্রতি দিল্লির দুই সাফাই কর্মীর দক্ষতায় রীতিমত মুগ্ধ হলেন এই শিল্পপতি। জানা গিয়েছে দিল্লির দুই সাফাইকর্মী ভাইয়ের গান শুনে বেজায় খুশি হয়েছে আনন্দ মহিন্দ্রা। কাজের পাশপাশি ওই দুই সাফাই কর্মীর গানের দক্ষতা দেখে প্রশংসা করেছেন তিনি। এর আগেও নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে একাধিক মানুষের দক্ষতা শেয়ার করেছেন এই শিল্পপতি। আনন্দ মহিন্দ্রার তরফে সকল দিল্লি বাসীর কাছে অনুরোধ রাখা হয়েছে তারা যাতে দুই সাফাই কর্মীকে গান শেখার জন্য কোনও এক গুরুর সন্ধান করে দেন।

ব্যবসায়িক কাজকর্মের পাশপাশি সামাজিক কাজের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকেন এই ব্যবসায়ী। এক্ষেত্রে শিল্পপতির এক বন্ধু তাঁকে এই ভিডিও ফরওয়ার্ড করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই ভিডিওতেই দুই ভাইয়ের গান শোনেন আনন্দ মাহিন্দ্রা। গান শুনে এতটাই খুশি হন তিনি, যে রীতিমত দিল্লিবাসীকে এই দুজনের জন্য গানের গুরু খুজে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। জানা গিয়েছে দুই সাফাই কর্মী ভাইয়ের নাম হাফিজ এবং হাবিবুর। দুই ভাই একসঙ্গে দক্ষিণ দিল্লির বিভিন্ন এলাকাতে ঘুরে ঘুরে সাফাই কর্মীর কাজ করেন। দুই ভাইয়ের গানের ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশন হিসেবে শিল্পপতি লেখেন, ‘অবিশ্বাস্য ভারত’।

এখানেই শেষ নয়। দুই ভাইয়ের গানের তালিমের সমস্ত খরচ নিতেও রাজি হয়েছেন প্রবীণ এই শিল্পপতি। সারাদিন কাজের পরে যাতে বিকেলের দিকে দু’জনে গানের চর্চা করতে পারেন সেই কারণে গানের গুরু খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এক সফল ব্যবসায়ী হওয়ার পাশপাশি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এমন আবেদনকে কুর্নিশ জানিয়েছেন দেশবাসী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।