নয়াদিল্লি:  নতুন করে আর অশান্ত হয়নি দিল্লি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণটাই আয়ত্তের মধ্যেই। দিল্লি পরবর্তী অবস্থা নিয়ে এমনটাই জানান হল দিল্লি পুলিশের তরফে। তবে ভয়ঙ্কর এই পরিস্থিতির জন্যে যারা দায়ী তাদের কাউকে ছাড়া হবে না বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। দোষীদের কড়া ভাবে শাস্তি দেওয়া হবে।

দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চাদবাগ, মৌজপুর, জাফরাবাদ সহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, এখনও পর্যন্ত দিল্লির ঘটনায় ১৮টি এফআইআর করা হয়েছে। প্রত্যেকটি লিখিত অভিযোগই কোনও না কোনও অশান্তির সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ডিসিপি জানিয়েছেন, সমস্ত জায়গার সিসিটিভির ছবি এক জায়গায় আনা হচ্ছে। সেগুলি নিখুঁত ভাবে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বার করা হবেই বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

এদিন পরিস্থিতিতে পুরো ঘটনা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে পথে নেমেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। সংঘর্ষে যে সমস্ত জায়গা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেখানে ছুটে গিয়েছেন। কথা বলেছেন স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে। পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দেবেন বলে জানা যাচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা ইস্যুতে এই মুহূর্তে কি পরিস্থিতি রয়েছে তা মন্ত্রককে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই আগামী পদক্ষেপ কি হবে সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। জাফরাবাদের রাস্তায় নেমে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল

অন্যদিকে, দিল্লিতে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। শেষ পাওয়া খবরে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪। গুরু তেগ বাহাদুর হাসপাতালে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে ও লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ১৮০ জনেরও বেশি। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪। এই অবস্থায় বুধবার সকালে সেনা নামানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা নামানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। যদিও দুপুরের পর থেকে নতুন করে দিল্লিতে কোনও অশান্তির খবর নেই বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।