Delhi Police announce Rs 1L reward for information on punjabi singer-actor Deep Sidhu
ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: আরও বিপাকে পঞ্জাবি গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধু। তাঁর বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি হতে চলেছে। প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির লালকেল্লায় বিশৃঙ্খলার জেরে ইতিমধ্যেই দীপ সিধু ও লাখা সিধানার নামে এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই দীপের। ইতিমধ্যেই পঞ্জাবি এই অভিনেতা-গায়কের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। শেষমেশ তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারির পথে দিল্লি পুলিশ।

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলকে কেন্দ্র করে হঠাৎই অশান্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। লালকেল্লায় ঢুকে পড়েন কৃষকরা। লালকেল্লায় উঠে ধর্মীয় পতাকা টাঙিয়ে দেন কয়েকজন আন্দোলনকারী। অভিযোগ, পঞ্জাবি গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধুর উস্কানির জেরেই মিছিল লালকেল্লায় ঢুকে পড়ে ‘তাণ্ডব’ চালায়।

দীপের প্ররোচনার জেরেই আন্দোলনকারীদের অনেকে লালকেল্লায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলেন বলে অভিযোগ। লালকেল্লায় প্রজাতন্ত্র দিবসে ধর্মীয় পতাকা টাঙানোর সময়েও সেখানে উপস্থিত ছিলেন দীপ সিধু, এমনই দাবি পুলিশের। তিনি কৃষকদের লালকেল্লার দিকে যেতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বলে দাবি পুলিশের।

ইতিমধ্যেই দীপের বিরুদ্ধে দিল্লির কোতোয়ালি থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাচীন স্মৃতিসৌধ ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে এমন এলাকার ক্ষতির চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনের ধারাগুলি এফআইআর-এ যুক্ত করা হয়েছে।

প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লি পুলিশের দেওয়া নির্ধারিত রুট ভেঙে অন্য রাস্তা দিয়ে দিয়ে দিল্লি শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন কৃষকরা। দিল্লি হিংসায় তাই সমান ভাবে জড়িত কৃষক নেতারাও। এর আগে এমনই দাবি করা হয় দিল্লি পুলিশের তরফে। কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব জানিয়েছিলেন, কৃষক নেতারা যে ট্রাক্টর মিছিল করেন, তা অনিয়ন্ত্রিত ছিল। দিল্লি হিংসায় উস্কানিমূলক আচরণ করেছেন কৃষক নেতারা। তাঁদের মদতেই বিক্ষোভ এই আকার নিয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

অন্যদিকে, পুলিশের এই দাবি নস্যাৎ করেছেন দীপ সিধু। তিনি বলেন, ‘‘আমার সমর্থকরা জাতীয় পতাকা সরাননি। লালকেল্লায় প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে ‘নিশান সাহিবকে’ রাখা হয়েছিল। শিখ ধর্মের প্রতীক, ‘নিশান সাহিব’ পতাকাটি সমস্ত গুরুদ্বারে দেখা যায়।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।