নয়াদিল্লি: নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। জঙ্গি হুমকি রয়েছে। ফলে অতিরিক্ত সতর্ক দিল্লি পুলিশ। জারি করা হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা। নয়াদিল্লির আকাশে স্বাধীনতা দিবসের আগে ওড়ানো যাবে না ড্রোন, ফ্লাইং এরিয়াল অবজেক্ট। কড়া নজরদারি চালাতে শুরু করেছে পুলিশ। নিরাপত্তার খাতিরেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন দিল্লি পুলিশ কমিশনার এস এন শ্রীবাস্তব। ফ্লাইং এরিয়াল অবজেক্টের তালিকায় রাখা হয়েছে প্যারা গ্লাইডারস, প্যারা মোটরস, হ্যাং গ্লাইডারস, ইউএভি, ইউএএস, মাইক্রোলাইট এয়ারক্রাফট, হট এয়ার বেলুন, পাওয়ারড এয়ারক্রাফট, কোয়াডকপ্টার ও প্যারা জাম্পিংকে।

জুলাইয়ের ৩১ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে ১৬ দিনের জন্য বা ১৫ই অগাষ্ট পর্যন্ত এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যদি নির্দেশিকার লঙ্ঘন করা হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় দন্ডবিধির ১৮৮ ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, ১৫ই অগাষ্ট অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন নাশকতা হতে পারে নয়াদিল্লিতে, জানাচ্ছেন গোয়েন্দারা। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার জেরেই এই নাশকতা চালানো হতে পারে বলে খবর। গোয়েন্দা সূত্রে খবর অযোধ্যা ও নয়াদিল্লিতে নাশকতা করার জন্য প্ল্যান করেছে পাকিস্তানের আইএসআই। এনডিটিভি জানাচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তইবা ও জইশ ই মহম্মদ এই ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তিনটি জঙ্গিদলকে ভারতে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি দলে ৩ থেকে ৫জন করে জঙ্গি রয়েছে। এরা প্রত্যেকে আফগানিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে।এরা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক ভাবে হামলা চালাতে পারদর্শী বলে খবর। উল্লেখ্য ২০০৫ সালের জুলাই মাসে অযোধ্যায় অস্থায়ী রামমন্দিরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে জঙ্গিরা।

জানানো হয়েছে চলতি বছর স্বাধীনতা দিবসে মাত্র ২০ শতাংশ ভিভিআইপি উপস্থিত থাকবেন যাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য সামনে থেকে শোনার সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যেই গত সপ্তাহে লালকেল্লার অনুষ্ঠানস্থল ঘুরে দেখেছেন প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার ও এএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে এবার যেখানে প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে ভাষণ দেন, সেখানে বসতে পারবেন না কোনও অতিথি। তার থেকে নিচে বসতে হবে। সেখানে ৯০০ অতিথির জায়গায় থাকবেন মাত্র ১০০ জন। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এবার অনুষ্ঠানে থাকবেন ১৫০০ জন করোনা যুদ্ধ জয়ীরা। এঁদের মধ্যে ৫০০ জন স্থানীয় পুলিশ কর্মী ও ১০০০ জন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।