নয়াদিল্লি: লুকআউট নোটিশ (LOC), জামিন অযোগ্য ধারায় ওয়ারেন্টের (Non-bailable warrant) পর এবার পলাতক সুশীল কুমারের (Sushil Kumar) সন্ধান দিলে বিনিময়ে পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। অলিম্পিকে দু’বারের পদকজয়ী কুস্তিগীরকে খুঁজে দিলে তাঁকে এক লক্ষ টাকা পুরস্কার দেবে তারা, সোমবার ঘোষণা করেছে দিল্লি পুলিশ। ২৩ বছরের কুস্তিগীর সাগর রানাকে (Sagar Rana) খুনের দায়ে অভিযুক্ত সুশীলের সহযোগী অজয় কুমারের সন্ধান দিলে মিলবে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার।

গত ৪মে কুস্তিগীর সাগর রানা হত্যাকান্ডে নাম জড়িয়ে যায় অলিম্পিকগামী অভিজ্ঞ কুস্তিগীর সুশীল কুমারের। সুশীলের নামে খুন, অপহরণ এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয় মডেল টাউন পুলিশ স্টেশনে। উল্লেখযোগ্যভাবে গত শনিবার দিল্লির রোহিনী কোর্ট অলিম্পিকে জোড়া পদকজয়ী কুস্তিগীরের নামে জামিন অযোগ্য ধারায় ওয়ারেন্ট জারি করে। ঘটনার পর সুশীলের খোঁজে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু খালি হাতে ফিরতে হয়।

জানা যায়, ঘটনার পর দিল্লি ছেড়ে হরিদ্বারের (Haridwar) উদ্দেশ্যে রওনা দেন সুশীল৷ প্রথমে হরিদ্বারের এক আশ্রমে আশ্রয় নিলেও পরে সেখান থেকে ফের দিল্লি ফিরে আসেন৷ তারপর হরিয়ানায় বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে থাকেন তিনি৷ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ না-করায় গত সোমবার প্রাথমিকভাবে সুশীলের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার (LOC) জারি করে দিল্লি পুলিশ৷ ডিসিপি (উত্তর-পশ্চিম) ঊষা রাঙরানি এদিন পুরস্কার ঘোষণা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘সুশীলের গ্রেফতারির ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিয়ে যে আমাদের সাহায্য করবে তাঁকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে এবং অজয়ের ক্ষেত্রে দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।’

উল্লেখ্য হত ৪মে রাতে সুশীল, অজয়, প্রিন্স, সনু, সাগর, অমিত এবং আরও কয়েকজন কুস্তিগীরের মধ্যে দিল্লির ছত্রাসাল স্টেডিয়ামের পার্কিং এরিয়ায় ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত৷ হাতাহাতিতে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় এক তরুণ কুস্তিগীরের। যিনি গ্রিকো-রোমান (Greeco-Roman) ক্যাটেগরিতে প্রাক্তন জুনিয়র জাতীয় চ্যাম্পিয়নও বটে। আহত হন আরও ২ কুস্তিগীর।

ঘটনার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উত্তরপূর্ব) গুরিকবাল সিংহ সিধু জানিয়েছিলেন, ‘মৃত তরুণ কুস্তিগীর হলেন দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবলের পুত্র সাগর কুমার। আহত একজনের নাম সোনু মহল। ঘটনাস্থলে ৫টি গাড়ি পাওয়া যায়। একটি স্করপিও গাড়ির মধ্যে ডাবল ব্যারেল বন্দুক এবং ৫টি কার্তুজ ও দু’টি কাঠের লাঠিও পাওয়া যায়। সবকিছুই বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.