নয়াদিল্লি: লকডাউনের মধ্যেই একাধিকবার কেঁপে উঠেছে দিল্লি। একাধিকবার ভূমিকম্প হয়েছে রাজধানীতে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আগামিদিনে এরকম ভূমিকম্প হবে, এবং তা বেশ বড় আকারের। আইআইটি ধানবাদের বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন এই বিষয়ে।

আইআইটি ধানবাদের সিসমোলজি বিভাগের জিওফিজিক্সের অধ্যাপক পিকে খান বলেন, ‘একের পর এক ছোট মাত্রার কম্পন থেকেই বড় ভূমিকম্পের ইঙহগিত পাওয়া যাচ্ছে। এই বিষয়ে কেন্দ্রের এবং দিল্লির সরকারের আগাম সতর্ক হওয়া উচিৎ বলেও বার্তা দিয়েছেন তিনি।

গত ২ বছরে ওই এলাকায় ৪ থেকে ৪.৯ মাত্রের ভূমিকম্প হয়েছে অন্তত ৬৪ বার। বিশেষত দিল্লি ও কাংরা অঞ্চলে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে বারবার। কাংরাএ কাছে ধরমশালা ও চাম্বায় ৬.৩ ও ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল বহু বছর আগে, ১৯৪৫ ও ১৯০৫ সালে।

দিল্লির মত জনবহুল জায়গায় এই ধরনের ভূমিকম্প মারাত্ম আকার ধারণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই অধ্যাপক। তিনি বলেন, ভূমিকম্প রুখতে যেসব নিয়ম মানতে হয়, তা না মেনেই একের পর এক ইমারত গড়ে তোলা হচ্ছে, আর তার ফলেই বাড়ছে ভয়।

দিল্লি থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত অঞ্চলে এই ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি বলে জানিয়েছেন তিনি। ওই অঞ্চলে প্লেট সরছে বছরে ৪৪ মিলিমিটার করে, যা অত্যন্ত চিন্তার। যদিও এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয় না।

এপ্রিলের ১২ তারিখের পর থেকে ছয়’বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে রাজধানী শহর দিল্লি। গত বুধবার রাতে আবার একবার কেঁপে ওঠে দেশের রাজধানী। এদিনের কম্পন প্রথমে নয়ডায় বোঝা গেলেও গোটা দিল্লিবাসী বুঝতে পেরেছেন ভূমিকম্প।

এদিনের কম্পন গোটা দিল্লি সহ ফরিদাবাদ এবং গুরুগ্রামেও অনুভূত হয়েছে। বুধবার রাত ১০টা ৪২ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩.২। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি থেকে তথ্য অনুযায়ী, নয়ডার দক্ষিণ-পূর্বে ১৯ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল যা দিল্লিরই অংশ।

বুধবার রাত ১০টা ৪২ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩.২। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি থেকে তথ্য অনুযায়ী, নয়ডার দক্ষিণ-পূর্বে ১৯ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল যা দিল্লিরই অংশ। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩.৮ কিলোমিটার গভীর থেকে এই কম্পন বোঝা গিয়েছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV