নয়াদিল্লিঃ অন্যান্য দিনের মতই কড়া নিরাপত্তা ছিল নয়াদিল্লিতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের আশেপাশে। আচমকাই একটা জোরালো শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সতর্ক হয়ে যান প্রহরারত নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় দিল্লি পুলিশের সদর দফতরে। ছুটে আসেন পুলিশ কর্মীরা। পরে পুলিশি তল্লাশিতে বেরিয়ে আসল তথ্য।

২১ শে সেপ্টেম্বর, এই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, এক ব্যক্তি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। সেদিনই তাঁর কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছিল। সেই আনন্দে প্রচুর আতশবাজি ফাটিয়েছিলেন তিনি। একসঙ্গে অত আতশবাজি ফাটায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কর্তব্যরত এসপিজি কর্মীরা ভেবেছিলেন কোনও বিস্ফোরণ হয়েছে। ফলে সতর্কতা জারি করে দেওয়া হয়। তবে ওই ব্যক্তি রেহাই পাননি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আটক করা হয়। এমনকী শ্রীঘরেও রাত কাটাতে হয়।

নয়াদিল্লির বাসিন্দা বিবেক কুমার তিন মূর্তি মার্গের একটি মন্দিরের কাছে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। পুলিশ সূত্রে খবর সন্তান হওয়ার আনন্দেই ওই উদযাপন ছিল তাঁর। পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন, তখনও আতশবাজী ফাটাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কমান্ডো মোতায়েন করা হয়। দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে ছুটে আসেন পুলিশ কর্মীরা।

পরে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, আতশবাজি ফাটানোর ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নিয়মগুলি তাঁকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। নয়াদিল্লির চাণক্যপুরী পুলিশ স্টেশনে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে জামিন যোগ্য ধারায় মামলা হওয়ায় তিনি ছাড়া পেয়ে যান।