ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: দেশে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। ক্রমশই বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ২ লক্ষ পেরিয়েছে। এর মধ্যে শুধু মহারাষ্ট্র ও দিল্লি মিলিয়েই আক্রান্ত হতে চলেছেন প্রায় ১ লক্ষ মানুষ। শনিবার এই দুই রাজ্য থেকে ৯১ হাজার জন আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছে।

ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে গোটা দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার জন। দিল্লি থেকে ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু তারপরই আচমকা বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। মাস দুয়েকের মধ্যেই তা পৌঁছে যায় দৈনিক ২ লক্ষ আক্রান্তে। মহারাষ্ট্রে শনিবার ৬৭ হাজার ১২৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনের হিসেবে এই সংখ্যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী মৃত্যু হয়েছে ৪১৯ জনের। রাজ্যের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ লক্ষে গিয়ে পৌঁছেছে। দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৪ হাজার জন। আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বেশ সংকটজনক। যে হারে করোনা বাড়ছে, কেউ জানে না এর শেষ কোথায়। তিনি এও জানিয়েছেন হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। আগামী ৪ দিনে ৬ হাজারটি বেড বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দিল্লি ১৬ এপ্রিল থেকে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ছুটির দিন কারফিউ ঘোষণা করেছে। দিল্লি সরকারের তরফে এই কারফিউ দিনগুলি জনসাধারণকে বাড়ির ভিতরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সুরক্ষার কারণে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলির জন্য ই-পাসের ব্যবস্থা করেছে দিল্লি সরকার।

অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের হাসপাতালগুলিতেও বেড ও মেডিক্যাল সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা ভাবাচ্ছে সরকারকে। এই মাসের গোড়ার দিকেই মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বিষয়টি কেন্দ্রকে জানিয়েছেন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্র সহ বেশি আক্রান্ত রাজ্যগুলিতে অক্সিজন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন। মহারাষ্ট্রে ১ হাজার ১২১টি ভেন্টিলেটর পাঠানোর আশ্বাসও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.